সোমবার (৯ মার্চ ২৬) গাইবান্ধা সদর উপজেলার উজির ধরনীবাড়ী এলাকার বাসিন্দা এএইচএম জিয়াউর রহমান খান ডাকযোগে পুলিশ সদর দফতরে এ অভিযোগপত্র পাঠিয়েছেন। একইসঙ্গে গাইবান্ধার পুলিশ সুপার এবং রংপুর রেঞ্জের ডিআইজির কাছেও অনুলিপি দেয়া হয়।
জিয়াউর রহমান লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি তার বাড়ির কেয়ারটেকার ও একই এলাকার বাসিন্দা নূরুন নাহার স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তির হাতে শারীরিক নির্যাতন, মারধর, শ্লীলতাহানি শিকার হন এবং তাকে জোর করে আটকে রাখা হয়। এর আগে নূরুন নাহার জিয়াউর রহমানের দায়ের করা মাটি কেটে চুরির মামলায় সাক্ষী দিয়েছিলেন।
ঘটনার পর ১৯ ফেব্রুয়ারি ভুক্তভোগী গাইবান্ধা সদর থানায় এজাহার দাখিল করতে গেলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন সেটি মামলা হিসেবে গ্রহণ না করে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার পরামর্শ দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ন্যায়বিচার না পাওয়ায় সামাজিক চাপ ও হতাশা থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ভুক্তভোগী নূরুন নাহার বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।
আরও পড়ুন: বিএনপি নেতার মামলায় সাবেক ওসি কারাগারে
ন্যায়বিচার চেয়ে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি নূরুন নাহার গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন।
অভিযোগকারী এএইচএম জিয়াউর রহমান খান বলেন, 'দেশের আইন অনুযায়ী বিচারের প্রত্যাশায় যে কেউ থানায় অভিযোগ করতে পারেন। অভিযোগ তদন্ত করে এজাহার হিসেবে পুলিশ আমলে নেবে, এটাই নিয়ম। কিন্তু এক্ষেত্রে পুলিশ আজও মামলা নেয়নি। ন্যায় বিচারের আশায় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছি।'
এ বিষয়ে গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমলযোগ্য প্রত্যেকটি ঘটনায় থানায় মামলা হয়। ভুক্তভোগী নূরন নাহার বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যানের মাধ্যমে আপস মীমাংসা করার কারণে এ বিষয়ে মামলা নেয়ার প্রয়োজন হয়নি।
তবে অভিযোগকারী এএইচএম জিয়াউর রহমান খান বলেন, সালিশ মীমাংসার কথা বলে নূরুন নাহারের কাছ থেকে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেয়া হয়, কিন্তু তিনি কোনো বিচার পাননি।

২ দিন আগে
১







Bengali (BD) ·
English (US) ·