মাদ্রাসা জিম্মাদার, শিক্ষকদের সমীপে আরজ

১ সপ্তাহে আগে
আমাদের মাদরাসাগুলোতে নতুন শিক্ষাবর্ষে ভর্তি কার্যক্রম চলছে, এই মুহূর্তগুলো ছাত্র এবং মাদরাসা কতৃপক্ষ উভয়ের অনেক বড় পরীক্ষার সময়। ইতিমধ্যে এটা ‘ভর্তিযুদ্ধ’ শব্দে অভিহিত হয়ে থাকে।

তবে অনুরোধ থাকবে যারা মাদরাসার দায়িত্বশীল আছি, আমাদের  আচরণে যেন কখনো আল্লাহ নবীর মেহমানরা কষ্ট না পান! তাদের যেন এটা ‘যুদ্ধ’ অনুভব না হয়।

 

অনর্থক হয়রানি, অযাচিত আচরণ না করি। আমার কাধে অনেক বড় মাদরাসার দায়িত্ব থাকতে পারে, আমি অনেক বড় মুদির হতে পারি, অনেক দাপট থাকতে পারে আমার, কিন্তু রব্বে কারীমের কাছে এর কোনো মূল্য নেই! ওয়াল্লাহি, আল্লাহ আমাদের দিলের নিয়ত, অবস্থা দেখছেন, বদলা ওভাবেই দিবেন।

 

দায়িত্বের কারণে আমার কঠোরতা যেন বাহ্যিক হয়, দিলের অবস্থা যেন এমন না হয়। এই মুহূর্তে দিলে অনেক অহংকার, আত্মতৃপ্তি আসে। সবাই আমার স্বাক্ষরের জন্য ঘুরছে, তাই আমি খুব খুশী, এই সামান্য দিলের অবস্থা ইলমের জন্য সারাজীবনের কুরবানী নিমিষেই মাটি করে দিতে পারে, আল্লাহ মাফ করেন।

 

আরও পড়ুন: কওমি মাদ্রাসার ভর্তিযুদ্ধ শুরু: নতুনদের জন্য জরুরি দিকনির্দেশনা

 

আল্লাহর রাসূলের মেহমানদের কাছে আমি যেন আতংক না হই, বরং আমি হব রাসূলে কারীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মত মুহসিন অভিভাবক, ছায়া। যারজন্য যতটুকু শাসন প্রয়োজন ততোটুকুই করব, একবিন্দু জুলুম হয়ে গেলে একদিন আমাকে আসামি হতে হবে আমার ছাত্রের সামনেই।

 

তাই চেষ্টা করব, নতুন তালিবুল ইলমের কাছে প্রথম মুলাকাত থেকেই আমাকে নবীর ওয়ারেস মনে হয়, আখলাকে নববীর ফুল ও সুঘ্রাণ যেন আমার মধ্যে পাওয়া যায়।

 

মাওলানা আবু তাহের মিসবাহ, আদীব হুজুর দামাত বারকাতুহুমকে জিগ্যেস করা হল, তালিবুল ইলম ভাইদের সাথে কেমন আচরণ করব; শিক্ষকসূলভ, না পিতৃসুলভ: বন্ধুসুলভ?! আদীব হুজুর বলেছেন, বন্ধুসুলভ আচরণ করবে।

 

আল্লাহ আমাদের খুব তাওফীক দিন, আমিন!

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন