মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে মালয়েশিয়া, কুয়েত ও ওমানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা

২ সপ্তাহ আগে
কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী শেখ আহমদ আব্দুল্লাহ আল-আহমাদ আল-সাবাহ এবং ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়িদ বদর আলবুসাইদির সাথে এক ফোনালাপে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মালয়েশিয়া।

সোমবার (৯ মার্চ) মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এক পোস্টে এ কথা জানান।

 

পোস্টে তিনি লেখেন, ইসরাইল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যকার চলমান সংঘাতের ফলে উদ্ভূত আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে এই আলোচনা হয়। মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কুয়েত ও ওমানের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা এবং অবকাঠামোগত ঝুঁকির বিষয়ে গভীর সহানুভূতি ও পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করা হয়েছে। 

 

আলোচনায় উভয় দেশের সরকারের পক্ষ থেকে সেখানে অবস্থানরত মালয়েশিয়ার নাগরিকদের নিরাপত্তা ও কল্যাণে নেয়া পদক্ষেপের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। মালয়েশিয়া সরকার মনে করে, বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যে বিদেশি নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কুয়েত ও ওমান যে প্রতিশ্রুতি দেখিয়েছে তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। দুই দেশের নেতৃত্বের সাথে এই পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়টি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

 

আরও পড়ুন: আল জাজিরা এক্সপ্লেইনার /ইরানে ট্রাম্পের শেষ লক্ষ্য কী, কীভাবে শেষ হতে পারে যুদ্ধ?

 

বিশেষ করে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতা করার ক্ষেত্রে ওমানের প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেছে মালয়েশিয়া। ওমানের এই নিরলস কূটনৈতিক উদ্যোগ মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর সংঘাত এড়াতে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করছে বলে আলোচনায় উল্লেখ করা হয়।

 

মালয়েশিয়া মনে করে, এ ধরনের গঠনমূলক মধ্যস্থতাই বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক সংকট নিরসনের একমাত্র কার্যকর পথ।

 

সবশেষে, সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ ও কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দেয়া হয়েছে। আলোচনায় অংশগ্রহণকারী নেতারা একমত পোষণ করেন, কোনো প্রকার উসকানিমূলক পদক্ষেপ যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে নষ্ট করতে পারে, তা থেকে বিরত থাকা অপরিহার্য।

 

পবিত্র রমজানের এই বরকত যেন মুসলিম উম্মাহর ঐক্যকে আরও সুদৃঢ় করে এবং মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতার পথ প্রশস্ত করে সেই আশাবাদ ব্যক্ত করে আলোচনা শেষ হয়।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন