শনিবার (২১ মার্চ) বাগেরহাটের ষাটগম্বুজ মসজিদে এই জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নির্ধারিত সময়ের আগেই মুসল্লিতে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় মসজিদ প্রাঙ্গণ। মূল ভবনের পাশাপাশি মসজিদের দুই পাশে করা অস্থায়ী প্যান্ডেলেও নামাজ আদায় করেন মুসল্লিরা।
মুসল্লিদের আধিক্যের কারণে প্রতিবছরের মতো এবারও এই মসজিদে ঈদুল ফিতরের তিনটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত প্রথম জামাতে ইমামতি করেন খানজাহান (রহ.) মাজার সংলগ্ন মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মো. খালিদ।
প্রথম জামাতে অংশ নেন বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক শেখ মোহাম্মাদ জাকির হোসেন, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এমএ সালামসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
এরপর সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে শুরু হয় দ্বিতীয় জামাত। এতে ইমামতি করেন ষাটগম্বুজ মসজিদের ভারপ্রাপ্ত ইমাম ও খতিব মো. নাসির উদ্দিন। সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত তৃতীয় ও শেষ জামাতে ইমামতি করেন বায়তুশ শরফ এতিমখানা ও মাদরাসার সুপার হাফেজ মাওলানা মো. এনামুল হক।
আরও পড়ুন: বাগেরহাটে আগুনে পুড়ে ছাই ৯ দোকান, অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি
এবার ঈদের জামাত উপলক্ষে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছিল জেলা প্রশাসন। দর্শনার্থীদের জন্য দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জা, তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও মসজিদ প্রাঙ্গণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করায় স্বাচ্ছন্দ্যে নামাজ আদায় করতে পেরেছেন মুসল্লিরা। তবে বৃষ্টির কারণে আনন্দ-উৎসবে কিছুটা ভাটা পড়েছে। বিশেষ করে বৃষ্টি থেকে বাঁচতে নামাজ শেষ করে খোলা ময়দানে কাউকে কোলাকুলি করতে দেখা যায়নি।
বাগেরহাটের প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের কাস্টোডিয়ান মো. জায়েদ বলেন, ‘শান্তিপূর্ণভাবে আমরা ঈদের নামাজ শেষ করেছি। মসজিদের ভেতরে ও বাইরে নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা ছিল। বৃষ্টি থাকলেও বিপুল সংখ্যক মুসল্লি নামাজ আদায় করেছেন।’
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, ‘বিশ্বঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদে ঈদের নামাজ সম্পন্ন করার জন্য আমরা আগে থেকেই ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। খুবই আনন্দঘন পরিবেশে আমরা সবাই একসঙ্গে নামাজ আদায় করেছি। মুসলিম উম্মাহ, দেশ ও জাতির কল্যাণে দোয়া করেছি। একটি সুখী-সমৃদ্ধ বাগেরহাট গড়ার জন্যও আমরা দোয়া করেছি।’
]]>
৬ ঘন্টা আগে
১





Bengali (BD) ·
English (US) ·