মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, জাপানের টয়ো রাইস করপোরেশন সুক্ষ্ম বাছাই প্রক্রিয়া শেষে সেরা মানের ধান সংগ্রহ করে। স্বাদ ও টেক্সচারে সেরা জাতগুলোই এখানে প্রাধান্য দেয়া হয়।
এ চালের এনজাইমের মাত্রা পরীক্ষা করা হয়। এ এনজাইমের মাত্রাকেই চালের ‘জীবনীশক্তি’বলে মনে করে জাপানের টয়ো রাইস করপোরেশন। প্রতিষ্ঠানটির ৯১ বছর বয়সী প্রেসিডেন্ট কেইজি সাইকা বলেন,
বাছাই ও পরীক্ষার বিশেষ প্রক্রিয়াই কিনমেমাইকে অন্য সব চালের চেয়ে আলাদা করে তুলেছে।
চালের স্বাদ কেমন এ প্রসঙ্গে জাপানের শ্রেফ ফুজিমতো বলেন,
ভাত হলো জাপানের আত্মার খাবার। সুসি তৈরির প্রধান উপাদান ভাত ও মাছ। এ খাবারের ৮০ ভাগ স্বাদই নির্ভর করে ভালো ভাতের ওপর।

শ্রেফ ফুজিমতো আরও বলেন,
ভালো চাল ভাতের স্বাদ বাড়িয়ে দেয়। আর ভাতের স্বাদে অনন্য কিনমেমাই। এর দানাগুলো ‘হীরার মতো ঝকঝক’ করে। ভাতে গভীর একধরনের মিষ্টতা আছে। যা অন্য চালের ভাতে পাওয়া যায় না।
আরও পড়ুন: হার্ট ব্লক এড়াতে করণীয় কী?
দাম কত?
জাপানে বিভিন্ন ধরনের চাল উৎপন্ন হয়। এসব চালের দাম প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৪০০ ইয়েনের মধ্যে থাকে। সেখানে এক বক্স কিনমেমাই চালের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ১১ হাজার ইয়েন। বাংলাদেশি মুদ্রায় এ চালের জন্য খরচ পড়বে প্রায় ৮,৫০০ টাকা।
আরও পড়ুন: শাহী চিংড়ি পোলাও তৈরির সহজ রেসিপি
]]>
১ সপ্তাহে আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·