আরএআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হতাশ কণ্ঠে বলেন তিনি, 'এটা সত্যিই দুঃখজনক, কিন্তু এটাই ফুটবল। এটা বড় একটা ধাক্কা। আমি আমার খেলোয়াড়দের নিয়ে গর্বিত। আজ কেউ যদি আমাকে সূঁচ ফোটাতো, রক্তই বের হতো না, আমি কিছুই অনুভব করছি না। কষ্ট হচ্ছে, কিন্তু যেন অনুভূতিহীন হয়ে গেছি। এই জয়টা আমাদের, আমাদের পরিবার, খেলোয়াড়, পুরো আন্দোলনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমি রেফারিং বা অন্য কিছু নিয়ে কথা বলতে চাই না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার মনে হয় এটা অন্যায়, কিন্তু এটাই ফুটবল। বহু বছর ধরে আমি ফুটবলের সঙ্গে আছি, কখনো আনন্দ পেয়েছি, আবার আজকের মতো কষ্টও পেয়েছি। এটা মেনে নেওয়া কঠিন। আমার খেলোয়াড়রা আজ তাদের হৃদয় আর নিবেদন দিয়ে আমাকে অবাক করেছে। আমরা যেন যুদ্ধক্ষেত্রে ছিলাম এবং লড়াই করে টিকে ছিলাম। টানা তৃতীয়বারের মতো আমরা বিশ্বকাপে যেতে পারছি না। ব্যক্তিগতভাবে আমি দুঃখিত, কারণ আমি লক্ষ্যটা অর্জন করতে পারিনি।’
আরও পড়ুন: ২০ বছর পর বিশ্বকাপে চেক প্রজাতন্ত্র, ৮ বছর পর সুইডেন
২০০৬ সালের বিশ্বকাপজয়ী এই সাবেক খেলোয়াড় আরও বলেন, ‘আজকের মতো হার আমার খেলোয়াড়দের প্রাপ্য ছিল না। আমরা ১০ জনে নেমে গিয়েছিলাম, তবুও তিনটি গোলের সুযোগ তৈরি করেছি, আর ওরা সামান্য সুযোগেই গোল করেছে। এটা খুব কষ্টের। আমরা নিজেদের জন্য, ইতালির জন্য এবং আমাদের ফুটবল আন্দোলনের জন্য এই জয়টা খুব দরকার ছিল। এটা মেনে নেওয়া কঠিন।’
নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ‘রিনো’ তেমন কিছু বলতে চাননি, যদিও আগে তিনি বলেছিলেন লক্ষ্য অর্জন না হলে পদত্যাগ করতেও দ্বিধা করবেন না। তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে আজ আমার ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলা গুরুত্বপূর্ণ নয়। আজ গুরুত্বপূর্ণ ছিল ইতালিকে বিশ্বকাপে নেওয়া। আমরা এই পারফরম্যান্স মনে রাখবো, কিন্তু কষ্টটা থেকেই যাবে, এবং আমরা দুঃখিত।’
২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপে শেষবার খেলেছিল ইতালি। এরপর টানা তিন আসরে বাছাই পর্ব পার হতে ব্যর্থ হলো আজ্জুরিরা।

১ সপ্তাহে আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·