রমজান এমন এক সময়, যখন মহান আল্লাহ বান্দাদের জন্য রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের দরজা খুলে দেন। হাদিসে এসেছে, রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
যখন রমজান মাস আসে তখন জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয় এবং শয়তানদের শৃঙ্খলিত করা হয়। (বুখারি, হাদিস : ১৮৯৯)
পবিত্র এ মাসের প্রতিটি মুহূর্ত যথাযথভাবে ধারণ করা উচিত ছিল। তওবার মাধ্যমে নিজেকে পরিশুদ্ধ করা। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেন,
হে মুমিনগণ! তোমরা সবাই আল্লাহর কাছে তাওবা করো, যাতে তোমরা সফল হতে পার। (সুরা আন-নুর, আয়াত : ৩১)
রমজান আমাদের জন্য সেই তওবারই সুবর্ণ সুযোগ। এ মাস মানুষকে নিজের ভেতরের দিকে তাকাতে শেখায়, গুনাহ থেকে ফিরে আসার সাহস দেয় এবং আল্লাহর দিকে নতুন করে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানায়।
আরও পড়ুন: সদকাতুল ফিতরের পরিমাণ, আদায়ের নিয়ম ও বিধান
এখনও রমজানের সময় পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি। শেষের দিনগুলো আমাদের সামনে আছে। হয়তো কয়েকটি রাত, কয়েকটি সেজদা, কয়েকটি আন্তরিক দোয়া, যা মহান আল্লাহর কাছে কবুল হয়ে যেতে পারে। তাই এই বাকি সময়টুকুতে যদি আমরা একটু বেশি ইস্তিগফার করি, একটু বেশি কোরআনের সাথে সময় কাটাই, আর অন্তর থেকে তওবা করি, তবে সেটাই হতে পারে আমাদের জন্য বড় সৌভাগ্যের কারণ।
আমরা কেউই জানি না, আগামী বছর রমজান পাবো কিনা। অনেকেই গত বছর আমাদের সঙ্গে ছিলেন, কিন্তু আজ তারা অন্ধকার কবরে শায়িত। তাই পবিত্র রমজান বিদায়ের আগে অন্তত এমন কিছু আমল রেখে যাওয়ার চেষ্টা করি, যা আখিরাতে আমাদের জন্য আলো হয়ে দাঁড়াবে।
]]>
২ দিন আগে
১







Bengali (BD) ·
English (US) ·