গত ৫ মার্চ হাইকোর্টের বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল এবং বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।
সোমবার (৯ মার্চ) রিটকারীদের আইনজীবী ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান গণমাধ্যমকে রুল জারির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২০ সালের ১৩ ডিসেম্বর বিজ্ঞান, তথ্য এবং প্রযুক্তি অডিট অধিদফতরের এক প্রতিবেদনে বিটিআরসির এই ২৯ জন জুনিয়র পরামর্শকের নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য প্রকাশ পায়। অডিট প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সংশ্লিষ্ট নিয়োগগুলোতে প্রচলিত চাকরিবিধি ও যথাযথ নিয়োগ পরীক্ষা অনুসরণ না করে সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাচারীভাবে তাদের পদায়ন করা হয়েছে। এই বিষয়ে বারবার ব্যাখ্যা চাওয়া হলেও বিটিআরসি কর্তৃপক্ষ সন্তোষজনক কোনো জবাব না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।
আরও পড়ুন: ঢাকা-১৬ আসনের ব্যালটপেপার-রেজাল্টশিট হেফাজতে নেয়ার নির্দেশ
পরবর্তী সময়ে ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বিটিআরসির চেয়ারম্যানকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দিলেও সংস্থাটি কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। উল্টো অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়। বিটিআরসির এই অবস্থানের পরিপ্রেক্ষিতে সংক্ষুব্ধ হয়ে সংস্থার ছয়জন উপপরিচালক–সঞ্জিব কুমার সিংহ, কাজী মো. আহসানুল হাবীব, মো. জাকির হোসেন খান, এসএম আফজাল রেজা, মো. আসিফ ওয়াহিদ ও মো. হাসিবুল কবির হাইকোর্টে রিট আবেদনটি দায়ের করেন।
রিটে বিবাদী করা হয়েছে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অডিট উইংয়ের যুগ্ম পরিচালক, বিটিআরসির চেয়ারম্যান এবং প্রশাসন বিভাগের মহাপরিচালককে।

২ দিন আগে
১







Bengali (BD) ·
English (US) ·