নিহত মীম আক্তার ওই গ্রামের রিকশাচালক হাফিজুল আমিনের মেয়ে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে শিশুটির মামী ঘরের ভেতরে মীমকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে বাগেরহাট সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিহত শিশুর বাবা হাফিজুল আমিন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি পেশায় রিকশাচালক। দুপুরে খাবার খেয়ে রিকশা নিয়ে কাজে বের হয়েছিলাম। বিকেলে খবর পেয়ে বাড়িতে এসে দেখি আমার কলিজার টুকরা মেয়েটি আর নেই। কীভাবে কী হলো, আমি কিছুই বুঝতে পারছি না।
মীমের মৃত্যু নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের একটি অংশের ধারণা, ছোট ভাইয়ের সঙ্গে খেলার ছলে দুর্ঘটনাবশত গলায় ফাঁস লেগে যেতে পারে এবং নিজেকে উদ্ধার করতে না পারায় এই মর্মান্তিক পরিণতি ঘটে।
তবে এলাকাবাসীর অপর একটি অংশ একে নিছক দুর্ঘটনা হিসেবে মানতে নারাজ। তাদের দাবি, শিশুটিকে যেভাবে ফাঁস লাগানো অবস্থায় দেখা গেছে, তা স্বাভাবিক দুর্ঘটনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ফলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও সন্দেহ দেখা দিয়েছে।
আরও পড়ুন: লক্ষ্মীপুরে নির্বাচনের রাত থেকে নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাগেরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুম খান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই বিস্তারিত জানা যাবে এবং সেই অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ঘটনার বিষয়ে থানায় কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি।

১ মাস আগে
৬







Bengali (BD) ·
English (US) ·