মৃতরা হলেন, উপজেলার রসুলপুর গ্রামের সম্বর মিয়ার ছেলে নিজাম উদ্দিন (৩২), কৃষ্ণপুর গ্রামের রমজান আলীর ছেলে কবীর মিয়া (৪৫) ও হায়াতপুর গ্রামের রাখাল সরকার (৬৬)। এছাড়াও উপজেলার রসুলপুর গ্রামের রানু মিয়া (৪৫) নামে একজন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বজ্রপাতে উপজেলার রসুলপুর, কৃষ্ণপুর ও হায়াতপুর গ্রামে এমন হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
আরও পড়ুন: বৃষ্টিবলয়ে পুরো দেশ, কালবৈশাখী-বজ্রপাতের শঙ্কা
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উজ্জ্বল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বজ্রপাতে হতাহতের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আকাশে মেঘ দেখে বিকেলে বাড়ির সামনে শুকাতে দেওয়া খড় জমা করছিলেন নিজাম উদ্দিন। এসময় হঠাৎ বজ্রপাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। পাশে থাকা রানু মিয়া গুরুতর আহত হন। পরে রানু মিয়াকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
এদিকে একই উপজেলার ছায়ার হাওড়ে বজ্রপাতে কবীর মিয়া নামে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হন।
তাকে উদ্ধার করে সিলেট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্দেশে পাঠানো হলে পথেই তিনি মারা যান। অন্যদিকে হায়াতপুরে গ্রামেও বজ্রপাতে মারা যান রাখাল সরকার নামে আরেক কৃষক। তিনি বাড়ির সামনের হাওড় থেকে গরু আনার জন্য গিয়েছিলেন। বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু
খালিয়াজুরী থানার ওসি মো. মকবুল হোসেন বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক বনানী বিশ্বাস বলেন, ‘খোঁজ নিয়ে হতাহতের পরিবারগুলোকে সরকারি সহায়তা করা হবে। তাদের পাশে আমরা আছি।’