কলোরাডোর স্টেট ক্যাপিটলের করিডোরে সারি সারি সাজানো থাকে বিখ্যাত ব্যক্তিত্বদের প্রতিকৃতি। দর্শনার্থীরা সেখানে দাঁড়িয়ে ছবি তোলেন, কেউ কেউ মুগ্ধ হয়ে দেখেন। কিন্তু এক কোণে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে বিশেষ এক ছবি। ক্যানভাসের তুলির আঁচড় যেন বিতর্ককে আমন্ত্রণ জানিয়েছে।
ট্রাম্প তার ছবি নিয়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে পোস্টও করেছেন তিনি। ট্রাম্পের অভিযোগ, ছবিটি তার বাস্তব চেহারার সঙ্গে মিলছে না এবং এটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিকৃত করা হয়েছে। ট্রাম্পের অভিযোগের পর, তার সমর্থক ও সমালোচকদের মাঝে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। যদিও কিছু সমর্থক মনে করেন, ছবিটি ভালোভাবেই আঁকা হয়েছে।
মূলত, ২০১৯ সালে এক রিপাবলিকান নেতার অনুদানের মাধ্যমে ট্রাম্পের পোর্ট্রেটটি আঁকা হয় এবং অঙ্গরাজ্যের ক্যাপিটল ভবনে রাখা হয়। ছবির বিকৃতির জন্য ট্রাম্প রাজ্যের গভর্নর জারেড পোলিসকে দোষারোপ করেছেন। কিন্তু পোর্ট্রেট তৈরির সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না বলে জানান গভর্নর।
আরও পড়ুন: গোপন চ্যাট গ্রুপে সাংবাদিক, ট্রাম্পের যুদ্ধ পরিকল্পনা ফাঁস!
অনেকেই ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়াকে বাড়াবাড়ি বলে উল্লেখ করেছেন। তবে রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারা এ বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে পোর্ট্রেটটি সরানোর উদ্যোগ নেন।
এ ঘটনার পর রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কাছ থেকে একটি নতুন প্রতিকৃতি উপহার পেয়েছেন ট্রাম্প। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ উপহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে এর বিস্তারিত জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তিনি।
]]>