মঙ্গলবার (১০ মার্চ) গভীর রাতে বন্দর উপজেলার ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এলাকা থেকে অস্ত্রটি উদ্ধার করা হয়। এর আগে সোমবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যায় ও রাতে পৃথক অভিযানে তিনজনকে আটক করে সদর মডেল থানা পুলিশ।
আটক ব্যক্তিরা হলেন: শহরের দেওভোগ পানির ট্যাংকি এলাকার মো. বিশাল (৩১), ফতুল্লার কাশীপুর ব্যাংক কলোনি এলাকার ফরহাদ আহম্মেদ (২৩) ও হাসান (২১)।
জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী রাত সাড়ে তিনটায় সময় সংবাদকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এসআই লুৎফর রহমানের ওপর হামলার পর জড়িতদের গ্রেফতারে জেলা পুলিশ, থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থা অভিযানে নামে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে ছিনতাইকারীদের শনাক্ত করা হয়।
আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জে পুলিশ কর্মকর্তার পিস্তল ছিনতাই, আটক ১
এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার সন্ধ্যায় বন্দর উপজেলার সোনাকান্দা বেপারীপাড়া এলাকা থেকে প্রথমে বিশালকে আটক করা হয়। পরে তার দেয়া তথ্যে রাতে ফতুল্লার কাশীপুর ব্যাংক কলোনি এলাকা থেকে ফরহাদ ও হাসানকে আটক করা হয়। তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রাত আড়াইটার দিকে বন্দর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় পিস্তল ও গুলি উদ্ধার করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও জানান, প্রাথমিক তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদে আটক তিনজনই অস্ত্র ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে প্রথম আটক যুবক বিশাল ছিনতাইয়ের কথা স্বীকার করেছে। অপর দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সোমবার (৯ মার্চ) ভোর ছয়টায় শীতলক্ষ্যা পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) লুৎফর রহমান ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় মোটরসাইকেলে টহল দিচ্ছিলেন। শহরের নিতাইগঞ্জ এলাকায় নগর ভবনের সামনে তিনটি মোটরসাইকেলে আসা তিন দুর্বৃত্ত তার পথরোধ করে। দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে আঘাতের চেষ্টা করলে তিনি আত্মরক্ষা করেন। এতে তার মোটরসাইকেলটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একপর্যায়ে দুর্বৃত্তরা তার সরকারি পিস্তলটি ছিনতাই করে পালিয়ে যায়।
]]>
২ দিন আগে
১







Bengali (BD) ·
English (US) ·