নানা কর্মসূচিতে উদীচী হামলায় শহীদদের স্মরণ

৬ দিন আগে
যশোর উদীচী হামলা ও হত্যাকাণ্ড দিবসের ২৭তম বার্ষিকীতে স্মরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী। উদীচী যশোরের উদ্যোগে নানা কর্মসূচিতে দিনটিতে শহীদদের স্মরণ করা হচ্ছে।

শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর তোপখানা রোডের সত্যেন সেন চত্বরে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে আয়োজন শুরু হয়। এসময় বক্তারা ১৯৯৯ সালে ৬ মার্চ আজকের দিনে যশোর টাউন হলে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সমাপনী অনুষ্ঠানে ন্যাক্কারজনক বোমা হামলার কথা স্মরণ করেন।

 

২৭ বছর অতিবাহিত হওয়ার পরও রাজনীতির কূটকৌশলে মিথ্যা মামলা দায়ের ও সুষ্ঠু বিচার না হওয়ায় পুনরায় তদন্ত সাপেক্ষে হত্যাকাণ্ডের বিচারও দাবি করেন বক্তারা।

 

হামলা ও হত্যাকাণ্ড স্মরণে বেলা সাড়ে ১১টায় প্রতিবাদী সমাবেশের পর সন্ধ্যায় শহীদদের স্মরণে মশাল প্রজ্বালন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। মশাল প্রজ্বালন কর্মসূচির মাধ্যমে নিহতদের স্মরণ ও তাদের হত্যার ন্যায়বিচারের দাবি তোলেন উদীচী শিল্পগোষ্ঠীরা।

 

উগ্রবাদী সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন ও প্রগতিশীল সমাজ বিনির্মাণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন উপস্থিত অতিথিরা। তাদরে ওপর ধারাবাহিক হামলা কখনই তাদের আদর্শ বিচ্যুত করতে পারবে না, এমন দৃঢ় প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তারা।

 

২০ বছর আগে ১৯৯৯ সালের ৬ মার্চ গভীর রাতে যশোর টাউন হল ময়দান পরিণত হয় ধ্বংসস্তূপে। ওইদিন উদীচীর দ্বাদশ সম্মেলনের শেষ দিনে চলছিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এ সময় পরপর দুটি শক্তিশালী বোমার বিস্ফোরণ ঘটে অনুষ্ঠানস্থলে।

 

আরও পড়ুন: ২৭ বছরেও মেলেনি যশোর উদীচী হামলার বিচার, নীরবে কাঁদছেন স্বজনরা

 

বোমা বিস্ফোরণে দিগ্বিদিক ছুটে চলা মানুষের বাঁচার আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। বর্বরোচিত ওই হামলায় প্রাণ হারান ১০ জন। নিহতরা হলেন- নাজমুল হুদা তপন, সন্ধ্যা রানী ঘোষ, নূর ইসলাম, ইলিয়াস মুন্সী, বাবুল সূত্রধর, শাহ আলম মিলন, মোহাম্মদ বুলু, রতন কুমার বিশ্বাস, শাহ আলম পিন্টু ও বাবু রামকৃষ্ণ।

 

আরও পড়ুন: স্ক্রিনশটে একঝাঁক নায়িকার নাম প্রকাশ করলেন জয়

 

বোমা হামলায় গুরুতর আহত হন আড়াই শতাধিক নিরীহ দর্শক ও সাংস্কৃতিক কর্মী। দেশে বোমা হামলার কালো অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল মূলত এই ঘটনার মধ্য দিয়েই।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন