শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকেলে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাতে মাধবদী থানার কাঠালিয়া ইউনিয়নের খামারদী এলাকার একটি পুকুরপাড়ে ওই নারী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন বলে থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার স্থায়ী বাসিন্দা ওই নারী নরসিংদীর মাধবদী থানায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন। গত কয়েকদিন ধরে স্বামী পরিত্যক্তা ওই নারীর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করতেন হৃদয় মিয়া। বৃহস্পতিবার ওই নারী তার মেয়েকে নিয়ে আড়াইহাজারে কেনাকাটা করতে গিয়েছিলেন। মোবাইল ফোনে কথা বলার একপর্যায়ে হৃদয় বিষয়টি জানতে পেরে তার সাথে দেখা করার ইচ্ছা পোষণ করেন।
আরও পড়ুন: ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ও সরকারি ওষুধ বিক্রি করায় জরিমানা
পরে হৃদয়ের ডাকে সাড়া দিয়ে রাতে মাধবদী থানার কাঠালিয়ার একটি পুকুরপাড়ে দেখা করতে যান তিনি। এ সময় আগে থেকে ওত পেতে থাকা হৃদয়ের আরও তিন সহযোগী মিলে জোরপূর্বক তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন। পরে তার মোবাইল ফোন ও নগদ ৮০০ টাকা কেড়ে নিয়ে পালিয়ে যায় তারা।
প্রথমে ওই নারী আড়াইহাজার থানায় গেলেও ঘটনাস্থল মাধবদী এলাকায় হওয়ায় শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে মাধবদী থানায় মামলা দায়ের করেন।
মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন জানান, মামলা দায়েরের পরই তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে অভিযুক্ত হৃদয় মিয়াকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতার হৃদয় মিয়াকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
]]>
৫ দিন আগে
৪







Bengali (BD) ·
English (US) ·