সরেজমিনে দেখা যায়, কেরানীগঞ্জের ডকেরঘাটে চলছে দক্ষিণবঙ্গের মানুষদের অন্যতম এই গণপরিবহনের মেরামতের কাজ। বুড়িগঙ্গার পাড়ে কেউ ব্যস্ত লঞ্চে রঙ করার কাজে, কেউ বা ব্যস্ত পুরাতন পাটাতন মেরামত ও ঝালাইয়ে।
লঞ্চ মালিকরা বলছেন, পদ্মা সেতু চালুর পর থেকেই নানা কারণে নদীপথে যাত্রায় বিমুখ হয়ে গেছেন অনেকেই। যানজটের কারণে গুলিস্তান থেকে সদরঘাট পর্যন্ত ২ থেকে আড়াই ঘণ্টা চলে যায়। পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর থেকে নৌ সেক্টরে ধস নেমেছে। তারপরও ঈদের সময় কিছু যাত্রী পাওয়ার আশা।
এদিকে ঈদ সামনে রেখে বাড়তি নিরাপত্তার কথা জানালো বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। অতিরিক্ত যাত্রীর ঝুঁকি এড়াতে এবং ফিটনেসবিহীন লঞ্চ চলাচল ঠেকাতে বিআইডব্লিউটিএসহ নিরাপত্তা সংস্থাগুলো তৎপর রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: ঈদযাত্রায় প্রস্তুত চাঁদপুর লঞ্চ টার্মিনাল
বিআইডাব্লিউটিএ’র বন্দর ও পরিবহন বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,
যাত্রীদের নিরাপত্তায় ফায়ার সার্ভিস, নৌ পুলিশ এবং ডিএমপির সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে তৈরি থাকেন। নিরাপত্তা ঝুঁকির অভিযোগ পেলে আমাদের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং আমরা মিলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবো।
এবারের ঈদ মৌসুমে অর্ধশতাধিক লঞ্চ চলাচল করবে বলেও জানালেন বিআইডাব্লিউটিএ’র এ কর্মকর্তা।
]]>