বুধবার (২৬ মার্চ) যশোরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের উপ-পরিচালক রাশেদুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, এটি লো প্যাথোজেনিক। মানুষে ইফেক্টের আশঙ্কা খুবই কম। ফলে ভয়ের কারণ নেই।
২০১৮ সালের পর বাংলাদেশে এই প্রথম ফ্লু শনাক্ত হয়েছে।
আরও পড়ুন: মৌলভীবাজারে পোল্ট্রি খামারে অজ্ঞাত রোগের প্রাদুর্ভাব, দেড় লাখ মুরগির মৃত্যু
উপ-পরিচালক রাশেদুল হক জানান, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের কর্মকর্তারা যশোরের খামারটি পরিদর্শন করেছেন। গত ১৪ মার্চ সরকারি খামারের একটি শেডে এক হাজার ২৩৭টি মুরগি ও ১৪৫টি ডিম এবং ১৬ ও ১৭ মার্চ একটি শেডের ৯৪১টি মুরগি ও এক হাজার ৬৬৬ ডিম ধ্বংস করা হয়েছে। ফ্লু যেন ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালের মার্চে বাংলাদেশে প্রথম বার্ড ফ্লু দেখা দেয়। সে বছর ১০ লাখেরও বেশি মুরগি এই ফ্লুয়ের কারণে মেরে ফেলা হয়। এ ছাড়া ২০০৮ সালের মে মাসে বাংলাদেশে মানুষের শরীরে বার্ড ফ্লু সংক্রমণ ধরা পড়ে।