নেত্রকোনা সদরের বড়ওয়ারী-সিধলী সড়কের চিত্র আরও করুণ। ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সড়কের বেশিরভাগ অংশে বড় গর্ত, আবার কোথাও দুপাশ ধসে পড়েছে। দীর্ঘ ৬ বছরেও সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। পুরো জেলাতেই প্রায় সাড়ে ৫০০ কিলোমিটার পাকা সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, আর সাড়ে ৪ হাজার কিলোমিটার কাঁচা সড়ক চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
এলজিইডির তথ্য অনুযায়ী, জেলার মোট ৬ হাজার ২৩১ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে ১ হাজার ৭২১ কিলোমিটার পাকা, ৪৮০ কিলোমিটার পাকাকরণের কাজ চলমান এবং ১৪৮ কিলোমিটার মেরামত করা হচ্ছে। তবে ৪ হাজার ৫১০ কিলোমিটার সড়ক এখনও কাঁচা রয়ে গেছে। সড়ক উন্নয়নে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলেও কাজে ধীরগতি নিয়ে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
শেরপুরের গ্রামীণ সড়কগুলোর অবস্থাও একইরকম। গত বছরের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বেশিরভাগ সড়ক এখনও মেরামত করা হয়নি। ফলে প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। জেলার ৪০০ কিলোমিটার সড়কের বেহাল অবস্থায় ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছে।
আরও পড়ুন: ময়মনসিংহে সড়ক-ড্রেন কেটে রাখার পর নির্মাণকাজ বাতিল, দুর্ভোগে নগরবাসী
এলজিইডির আওতাধীন ময়মনসিংহ জেলার ৭২ শতাংশ সড়ক এখনও কাঁচা। ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার পাকা সড়কের অবস্থাও নাজুক। পুরো জেলার ১১ হাজার ৯২০ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে ৩ হাজার ৩৭৩ কিলোমিটার পাকা ও ৮ হাজার ৫৪৬ কিলোমিটার কাঁচা। বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই সড়ক সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে এলজিইডির ময়মনসিংহের নির্বাহী প্রকৌশলী সালমান রহমান রাসেল বলেন, ‘প্রয়োজনের তুলনায় মাত্র এক-সপ্তমাংশ অর্থ বরাদ্দ পাওয়া যায়। ফলে সংস্কারের চাহিদা থাকলেও তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয় না। তবে কাঁচা সড়কগুলো ধাপে ধাপে পাকাকরণের পরিকল্পনা রয়েছে।’
]]>