১৯৮০ ও ৯০-এর দশকে বাংলা চলচ্চিত্রে দাপটের সঙ্গে অভিনয় করে গেছেন দিতি। রোমান্টিক, সামাজিক কিংবা ট্র্যাজেডি—সব ধরনের চরিত্রেই ছিলেন সমান সাবলীল। তার অভিনয়ের গভীরতা আর ব্যক্তিত্ব আজও মুগ্ধ করে দর্শকদের।
১৯৬৫ সালের ৩১ মার্চ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে জন্ম নেয় দিতি। শৈশব থেকেই গান ও অভিনয়ের প্রতি তার ছিল প্রচণ্ড ঝোঁক। আশির দশকে বিএফডিসি আয়োজিত ‘নতুন মুখের সন্ধানে’ কার্যক্রমের মাধ্যমে চলচ্চিত্রের রুপালি জগতে পা রাখেন। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। দুই দশকেরও বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে দিতি অভিনয় করেছেন দুই শতাধিক চলচ্চিত্রে।
তার অভিনয় জীবনের ঝুড়িতে রয়েছে অসংখ্য ব্যবসাসফল ও কালজয়ী সিনেমা। ‘দুই জীবন’, ‘বীরাঙ্গনা সখিনা’, ‘আপন ঘর’, ‘ভাই বন্ধু’, ‘উছিলা’, ‘লেডি ইন্সপেক্টর’, ‘স্বামী-স্ত্রী’, ‘হীরামতি’, ‘আজকের হাঙ্গামা’, ‘স্ত্রীর পাওনা’, ‘মেঘের কোলে রোদ’ এবং ‘চার সতীনের ঘর’-এর মতো সিনেমাগুলো তাকে পৌঁছে দিয়েছিল জনপ্রিয়তার তুঙ্গে। শুধু বড় পর্দা নয়, নাটক এবং সংগীতেও তার বিচরণ ছিল প্রশংসনীয়।
আরও পড়ুন: ‘বিলেত রাজা’ দিয়ে বাজিমাত সিয়াম-নাটালিয়ার
দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াইয়ের পর ২০১৬ সালের ২০ মার্চ মাত্র ৫০ বছর বয়সে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি। তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে আসে পুরো শোবিজ অঙ্গনে।
আরও পড়ুন: প্রকাশ পেল ‘প্রিন্স’র নতুন গান
১০ বছর পর দিতির মৃত্যুবার্ষিকীতে ভক্ত ও সহকর্মীরা তাকে ভুলে যাননি। প্রিয় অভিনেত্রীকে স্মরণ করছেন ভালোবাসা আর শ্রদ্ধায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভেসে উঠছে স্মৃতিচারণা আর আবেগঘন বার্তা। রূপ, সৌন্দর্য ও অভিনয় গুণে ঢাকাই সিনেমার ইতিহাসে আজও অমলিন ও অপূরণীয় শূন্যতার নাম হয়ে রয়েছেন চিত্রনায়িকা দিতি।
]]>
৩ সপ্তাহ আগে
৮








Bengali (BD) ·
English (US) ·