দাবানলে বিপর্যস্ত দক্ষিণ কোরিয়া, মৃত বেড়ে ২৬

১ সপ্তাহে আগে
টানা ছয় দিন ধরে ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে দক্ষিণ কোরিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল। বুধবার (২৬ মার্চ) দাবানলে অগ্নিনির্বাপণ হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় এক পাইলট নিহত হয়েছেন। দাবানলে এখন পর্যন্ত ২৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। পুড়ে ছাই হয়ে গেছে ২০ হাজার হেক্টরেরও বেশি বনভূমিসহ ঘরবাড়ি ও কারখানা।

উত্তর গিয়ংসাং প্রদেশের উইসং থেকে শুরু হওয়া দাবানলে টানা ৬ দিন ধরে জ্বলছে দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল। সময় যত যাচ্ছে তীব্র বাতাসের কারণে দাবানল ততই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। এতে এখন পর্যন্ত ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। বহু মানুষ আহত হয়েছেন। আতঙ্কে আছেন দাবানলের আশপাশে বসবাস করা প্রবাসী বাংলাদেশিরা শিক্ষার্থীরাও।

 

এদিকে দাবানলে অগ্নিনির্বাপণ হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় এক পাইলট নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) স্থানীয় সময় দুপুর ১টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। কোরিয়া বন পরিষেবার মতে, আকাশপথে অগ্নিনির্বাপণ অভিযান চালানোর সময় হেলিকপ্টারটি সিনপিয়ং-মিয়নে একটি পাহাড়ি অঞ্চলে বিধ্বস্ত হয়। 

 

দুর্ঘটনার তদন্ত জন্য দাবানল কবলিত অঞ্চলে হেলিকপ্টারে অভিযান আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির দুর্যোগ ও নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। 

 

আরও পড়ুন: দক্ষিণ কোরিয়ায় দাবানল নেভাতে গিয়ে চার দমকলকর্মীর মৃত্যু

 

দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদস্থানে চলে গেছেন। বুধবার সরকার জানিয়েছে, তীব্র বাতাস এবং শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে সৃষ্ট দাবানলে প্রায় ২০ হাজার হেক্টরেরও বেশি বনভূমি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ঘরবাড়ি, কারখানাসহ ২০৯টি ভবন আগুনে ধ্বংস হয়েছে।

 

পাঁচ হাজার নিরাপত্তাকর্মী ঘটনাস্থলে কাজ করছেন। তবে তীব্র বাতাসে অগ্নিনির্বাপণ প্রচেষ্টা ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা।

 

দক্ষিণ কোরিয়ার ভূমির প্রায় ৭০ শতংশ পাহাড়ে ঘেরা বনাঞ্চল এলাকা। ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে দক্ষিণ কোরিয়া একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ দেশ।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন