মার্কিন অর্থমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাপী তেলের দাম কমানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে সমুদ্রে থাকা ইরানি তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে তাদের নিজস্ব তেলের মজুত থেকেও তেল বাজারে ছাড়তে পারে বলে জানান তিনি। চলতি সপ্তাহের শুরুতে বেসেন্ট জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অবগতিতেই ইরানি তেলবাহী ট্যাংকারগুলো এরই মধ্যে হরমুজ প্রণালি ছাড়তে শুরু করেছে। এটা বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করছে।
আরও পড়ুন: ইরান যুদ্ধে মোতায়েন দুই মার্কিন বিমানবাহী রণতরী এখন কোথায়
গত পাঁচ দশক ধরে ইরানের তেলের ওপর বিভিন্ন সময়ে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। সর্বশেষ ২০১৮ সালে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। ২০১৫ সালের ইরান পারমাণবিক চুক্তি থেকে সরে আসার বিনিময়ে দেশটির ওপর ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়েছিল।
মার্কির অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানের তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলে কিছু অপরিশোধিত তেল ইউরোপ ও অন্যান্য অঞ্চলে উন্মুক্তভাবে বিক্রির সুযোগ দেয়া হবে। এই নতুন তেলের সরবরাহ দ্রুতই বৈশ্বিক সরবরাহ বাড়াতে পারে। বুধবার (১৮ মার্চ) বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র ইরানের সাউথ পার্স-এ বিমান হামলার পর উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন মিত্র দেশের জ্বালানি স্থাপনায় তেহরানের পাল্টা হামলায় তেলের দাম বাড়ার পর ওয়াশিংটন এ পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিলো।
আরও পড়ুন: সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্র কী, ইসরাইলি হামলা যে কারণে যুদ্ধকে আরও তীব্রতর করল
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের জেরে তেলের দাম বাড়া অব্যাহত রয়েছে। বুধবার (১৮ মার্চ) বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র ইরানের সাউথ পার্স-এ বিমান হামলার খবরে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১০ মার্কিন ডলার (প্রায় ৮২.৭৮ পাউন্ড) ছাড়িয়েছে। এই খবরের পরই বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যায়।
এছাড়া সাউথ পার্সে হামলার কয়েক ঘণ্টা পর কাতার জানায়, ইরানের হামলার পর কাতারের রাস লাফান শিল্প এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, যেখানে কাতারের নর্থ ডোম গ্যাসক্ষেত্র অবস্থিত।
]]>
৩ সপ্তাহ আগে
৬








Bengali (BD) ·
English (US) ·