শনিবার (১৪) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনের আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজিদুর রহমান এই শুভেচ্ছা জানান।
বিবৃতিতে হেফাজত নেতৃদ্বয় বলেন, ‘রাষ্ট্রক্ষমতা আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে এক মহান নেয়ামত ও কঠিন আমানত। এটি কেবল সম্মান লাভের উপায় নয়, বরং জনগণের হক আদায়ের গুরুদায়িত্ব।’
নতুন সরকারের প্রতি তারা দেশের মসজিদ-মাদ্রাসা, আলেম-ওলামা এবং জনগণের ধর্মীয় ও মানবাধিকার সংরক্ষণে দৃঢ় পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান। বিশেষ করে মুসলিম শিক্ষা, সভ্যতা ও তাহজিব-তামাদ্দুন রক্ষায় সরকারকে সাহসী ভূমিকা পালনের পরামর্শ দেন।
নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা ও নৈরাজ্যের খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সন্ত্রাস ও সহিংসতা কখনোই জাতির জন্য কল্যাণ বয়ে আনে না।’ তারা নতুন সরকারকে সন্ত্রাস দমনে কঠোর কিন্তু ন্যায়ভিত্তিক পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও মানবিক, কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণমূলক কর্মপন্থা গ্রহণের তাগিদ দেন।
আরও পড়ুন: তারেক রহমানকে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন
হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকে দেশের তরুণ প্রজন্মের প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। কোনো ধরনের উসকানিমূলক স্ট্যাটাস, মিথ্যা তথ্য ছড়ানো বা প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করা থেকে বিরত থেকে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় ভূমিকা রাখার অনুরোধ করেন তারা।
বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় আশা প্রকাশ করেন, নতুন সরকার সততা ও দক্ষতার সঙ্গে রাষ্ট্র পরিচালনা করে সুশাসন নিশ্চিত করবে এবং সব রাজনৈতিক মতের প্রতি সহনশীলতা প্রদর্শন করে জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করবে। ক্ষমতার দম্ভ পরিহার করে শাসকরা যেন নিজেদের ‘জনগণের সেবক’ মনে করেন, সেই নসিহতও করেন তারা।
বিবৃতির শেষাংশে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের মাগফিরাত ও আহতদের সুস্থতা কামনা করা হয় এবং সফল নির্বাচনের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

১ মাস আগে
৫







Bengali (BD) ·
English (US) ·