বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স পোস্টে দেয়া এক বার্তায় এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কাতারসহ উপসাগরীয় দেশে জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর তেহরান সক্ষমতার কেবল সামান্য অংশই প্রদর্শন করেছে। যদি আমাদের নিজস্ব অবকাঠামো আবার লক্ষ্যবস্তু করা হয়, আরও কঠোরভাবে প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।
এক্স পোস্টে তিনি বলেন, আমাদের অবকাঠামোর ওপর ইসরাইলের হামলার প্রতিক্রিয়ায় আমরা আমাদের সক্ষমতার মাত্র সামান্য অংশ ব্যবহার করেছি। সংযমের একমাত্র কারণ ছিল উত্তেজনা হ্রাসের প্রতি সম্মান।
আরাঘচি আরও বলেন, ‘যদি আমাদের অবকাঠামো আবার লক্ষ্যবস্তু হয়, তবে বিন্দুমাত্র সংযম দেখানো হবে না।’
আরও পড়ুন: ওয়াশিংটনে মার্কিন ঘাঁটির ওপর রহস্যময় ড্রোন, নিরাপত্তা জোরদার!
চলমান মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে বুধবার (১৮ মার্চ) ইরানের বুশেহর অঞ্চলে আসালুয়েহ বন্দরের উপকূলে সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে হামলা চালায় ইসরাইল। তেল আবিবে হামলার পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে উপসাগরীয় দেশগুলোর গ্যাসক্ষেত্র লক্ষ্যবস্তু করে তেহরান। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটির কয়েকটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) উৎপাদন ও রফতানি স্থাপনায় কয়েক দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।
বৃহস্পতিবার ভোরে ইরানের এ হামলায় স্থাপনাগুলোতে ‘বড় ধরনের আগুন’ লাগার পাশাপাশি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে কাতার এনার্জি। এছাড়া সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ, ও কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের তেল শোধনাগার দফায় দফায় হামলা চালায় ইরান।
]]>
৩ সপ্তাহ আগে
৭








Bengali (BD) ·
English (US) ·