সোমবার (২০ এপ্রিল) রাজধানীর গুলশানে ‘বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তির (ইপিএ) অগ্রগতি’ শীর্ষক এক কৌশলগত আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে প্রস্তাবিত ইপিএ চুক্তি এলডিসি-পরবর্তী (স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণ) সময়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
দেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে সম্পদে রূপান্তর করার ওপর জোর দিয়ে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘বাংলাদেশের তরুণদের দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে জাপানের কারিগরি সহযোগিতা ও কারিগরি সহায়তা অপরিহার্য। আমরা বর্তমানে খাত-ভিত্তিক জনশক্তি তৈরিতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি, যা আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে সহায়ক হবে।’
আরও পড়ুন: আসছে বাজেটে ব্যবসায়ীদের চাপ দেবে না এনবিআর: বাণিজ্যমন্ত্রী
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বাংলাদেশে জাপানি ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করেছে। জাপানি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে যেসব প্রশাসনিক বা শুল্ক-বহির্ভূত প্রতিবন্ধকতা ছিল, তা এরইমধ্যে সমাধান করা হয়েছে।
আলোচনা অনুষ্ঠানে দুই দেশের বাণিজ্য প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, জাপানের কারিগরি দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের তরুণরা আন্তর্জাতিক শ্রম বাজারের উপযোগী হয়ে উঠবে, যা দীর্ঘ মেয়াদে উভয় দেশের অর্থনীতির জন্যই লাভজনক হবে।

১ সপ্তাহে আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·