বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটরিয়ামে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে।
ভর্তি প্রক্রিয়ার তথ্য মতে, দ্বিতীয় ধাপে ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগে ভর্তির জন্য মূল মেধা তালিকার ১২৫১ থেকে ২৫০০, পার্বত্য চট্টগ্রাম অন্যান্য জেলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী তালিকার ১১ থেকে ২০ এবং রাখাইন সম্প্রদায়ের মেধাতালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা শিক্ষার্থীকে নিরীক্ষা বোর্ডে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি স্থাপত্য বিভাগের মূল মেধা তালিকার মেধাক্রমে থাকা ৭৬ থেকে ১২৫ পর্যন্ত শিক্ষার্থীকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।
ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীদের মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষার মূল সনদপত্র ও ট্রান্সক্রিপ্ট, উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও ট্রান্সক্রিপ্ট এর মূলকপি, প্রশংসাপত্র এর মূল কপি, দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি এবং হল প্রত্যবেক্ষকের স্বাক্ষর সম্বলিত ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র সঙ্গে আনতে হবে।
আরও পড়ুন: চুয়েটে বিভিন্ন পদে চাকরির সুযোগ, বেতন কত?
এ ছাড়াও সংরক্ষিত আসনে ভর্তির জন্য নির্বাচিত প্রার্থীদের স্থানীয় প্রশাসন এবং উপজাতীয় মোড়লের নিকট থেকে বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা ও উপজাতীয়তার প্রমাণস্বরূপ মোট দুটি সার্টিফিকেট দাখিল করতে হবে। একইসঙ্গে পাশকৃত কলেজের অধ্যক্ষের ইস্যুকৃত উপজাতীয়তার প্রমাণের সার্টিফিকেট প্রদান করতে হবে।
জানা যায়, নিরীক্ষা বোর্ড দ্বারা প্রার্থীদের সনদপত্র যাচাইপূর্বক জমাদানের পর ওই দিনই স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। ১১ মার্চ (বুধবার) সকাল ১০টায় প্রাপ্ত বিভাগ দেখে ভর্তির জন্য নির্ধারিত ফি ১৮ হাজার ৫০০ টাকা সোনালী ব্যাংক, চুয়েট শাখায় বিকেল ৩টার মধ্যে জমা দিয়ে ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে।
আরও পড়ুন: চুয়েটে ১২ দিনের ছুটি ঘোষণা
তবে কোনো প্রার্থীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে একই দিন ভর্তির জন্য নির্ধারিত ফি কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে ব্যাংকে জমা দিতে পারবেন।
এর আগে, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) প্রথম পর্যায়ের ভর্তি কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম পর্যায়ের ভর্তি শেষে মোট ৯২০টি আসনের বিপরীতে ৬০৫টি আসন ফাঁকা রয়েছে।

২ দিন আগে
১







Bengali (BD) ·
English (US) ·