সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে চুয়াডাঙ্গার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মোক্তাগির আলম আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।
সাজাপ্রাপ্ত আব্দুস সালাম দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা গ্রামের বজলুর রশিদ মজুর ছেলে।
এদিকে এই মামলায় আব্দুস সালামের বড়ভাই আলা-আমীন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়।
আরও পড়ুন: পিরোজপুরে কিশোরীকে ধর্ষণ মামলায় তিনজনের যাবজ্জীবন
মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের মার্চ মাসে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদার আরামডাঙ্গা গ্রামের দশম শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রীকে আব্দুস সালামসহ ৫-৭ জন মিলে কার্পাসডাঙ্গা বাজারের মুচিবটতলা থেকে অপহরণ করে ধর্ষণ করে। এরপর মাদ্রাসাছাত্রীর মা শিউলি খাতুন বাদী হয়ে কয়েক জনের নাম উল্লেখ করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন।
বিচারক মুসরাত জেরীন দামুড়হুদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে এটি এজাহার হিসাবে গ্রহণ করার আদেশ দেন।
আরও পড়ুন: জামালপুরে স্বামীকে বেঁধে গৃহবধূ ধর্ষণ মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দামুড়হহুদা কার্পাসডাঙ্গা ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই হারুন উর রশিদ তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ১ মে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
১৬ সাক্ষীর মধ্যে ছয়জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে সোমবার দুপুরে ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোক্তাগির আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে আব্দুস সালামকে অপহরণ মামলায় ১৪ বছর ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা। ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দেয়া হয়। এ সময় তার বড়ভাইকে খালাস দেয়া হয়।

১ সপ্তাহে আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·