প্রতিদিনই চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সূর্যের প্রখরতায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। মাঝারি তাপপ্রবাহ চলমান রয়েছে। একদিনের ব্যবধানে ১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। শুক্রবার দুপুর ৬টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক জাহিদুল হক বলেন, দুইদিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়। জেলার উপর দিয়ে মাঝারি তাপপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। অতিরিক্ত গরমের কারণে জনজীবন দুর্বিসহ হয়ে পড়ছে। প্রতিদিন তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে। শুক্রবার দুপুর ৬টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আদ্রতার পরিমাণ ৫৬ শতাংশ। বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয় মৌসুমের।
তিনি আরও বলেন, তিন দিনেই তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছুই ছুই অবস্থায় রয়েছে। গরমে সাধারণ মানুষের প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না বের হওয়াই ভালো। শুক্রবারও মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়। যা দেশের ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।
আরও পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় ৪০ ডিগ্রি ছুঁই ছুঁই তাপমাত্রা, বিপর্যস্ত জনজীবন
মাঝারি তাপদাহের কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে সড়কে মানুষের উপস্থিতি তুলনামূলক কম। গরম থেকে মানুষ বাঁচতে ছায়া শীতল স্থানে বসে বিশ্রাম নিচ্ছে। সূর্যের প্রখরতার কারণে সড়কের পিচ গলে যাচ্ছে। সড়কে চলাচল করলে গরমে পুড়ে যাওয়ার মত অবস্থা হচ্ছে শরীর। বারবার পানি পান করেও তৃষ্ণা মেটানো সম্ভব হচ্ছে না।
চুয়াডাঙ্গা গুলশানপাড়ার বাসিন্দা ফারহান জারির বলেন, খুব বেশি গরম অনুভূত হচ্ছে। কয়েকবার গোসল করেও রক্ষা হচ্ছে না গরম থেকে। ২৪ ঘণ্টা ফ্যানের নিচে থাকতে হচ্ছে। তারপরও গরম বেশি লাগছে।
চুয়াডাঙ্গা পলাশ পাড়ার রিক্সাচালক বিল্লাল হোসেন জানান, গরমের কারণে বাইরে ভাড়ার জন্য বের হলে ভাড়া হচ্ছে না। গাছের নিচে বসে সময় পার করতে হচ্ছে। একটা ভাড়া থেকে ফিরে আসার পর জিরিয়ে নিতে হচ্ছে। আমাদের মত মানুষরা গরমের কাছে অসহায় হয়ে পড়ছে।
চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের শিক্ষক নজরুল ইসলাম জানান, চৈত্র মাসের শেষের দিকেই বেশি গরম অনুভূত হচ্ছে। এখনো গরমের অনেক বাকি রয়েছে। গরমে চলাচল করা বেশ কঠিন হয়ে পড়ছে। বাচ্চারাও বেশ কষ্টে আছে। বৃষ্টি না হলে গরম কমবে না। প্রতিদিনই বৃষ্টি হলে প্রশান্তি পাব জীবনে।

১ সপ্তাহে আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·