গাজায় ৮ হাজার সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা ইন্দোনেশিয়ার

৪ সপ্তাহ আগে
ফিলিস্তিনের গাজার জন্য প্রস্তাবিত বহুজাতিক শান্তিরক্ষা বা আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী ২০ হাজার সেনা নিয়ে গঠিত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এর মধ্যে ইন্দোনেশিয়া একাই ৮ হাজার সেনা পাঠানোর কথা ভাবছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্টোর মুখপাত্রের বরাতে এ খবর জানিয়েছে আল জাজিরা।

প্রতিবেদন মতে, প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র প্রাসেত্যো হাদি আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিকদের বলেন, ইন্দোনেশিয়া গাজায় ৮ হাজার সেনা পাঠাতে পারে। তবে এ ব্যাপারে কোনো নির্দিষ্ট শর্ত বা কার্যক্রম এলাকার বিষয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

 

চলতি মাসের শেষদিকে ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোওকে ওই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

 

গত বছর গাজার শান্তিরক্ষা বাহিনীর জন্য ২০ হাজার সেনা প্রস্তুত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ইন্দোনেশিয়া। তবে দেশটি বলেছে, বাহিনীর ম্যান্ডেটের বিস্তারিত জানা ছাড়া মোতায়েন চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত করা হবে না।

 

আরও পড়ুন: গাজায় রহস্যময় অস্ত্রের ব্যবহার, হাজারো ফিলিস্তিনি ‘উধাও’

 

প্রাবোওর মুখপাত্র হাদি জানান, ‘আমরা শুধু প্রস্তুতি নিচ্ছি, যাতে কোনো চুক্তি হলে আমরা শান্তিরক্ষা বাহিনী পাঠাতে পারি।’ তিনি আরও বলেন, বোর্ডের স্থায়ী সদস্যপদ নিশ্চিত করার জন্য ১ বিলিয়ন ডলার পরিশোধের আগে আরও আলোচনা হবে।

 

এর আগে গত সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) জাকার্তায় প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোর সঙ্গে নিরাপত্তা বৈঠক করেন দেশটির সেনাপ্রধান মারুলি সিমানজুনতাক। বৈঠকের পর তিনি বলেন, একটি ব্রিগেড সম্ভবত ৫,০০০ থেকে ৮,০০০ সেনা ট্রাম্পের শান্তি বোর্ডকে সহায়তা করার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।

 

তিনি আরও জানান, মোতায়েনের বিস্তারিত পরিকল্পনা ও স্থান সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত হবে। সেনাপ্রধান বলেন, ইন্দোনেশিয়ান সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। সেনারা শান্তিরক্ষা বাহিনী হিসেবে কাজ করবে এবং মোতায়েনে প্রকৌশল ও চিকিৎসা ইউনিটের ওপর জোর দেয়া হবে। 

 

আরও পড়ুন: গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত ৭

 

গত নভেম্বরে গৃহীত জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এক প্রস্তাবে যুদ্ধবিরতির পর গাজায় একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী গঠনে বোর্ড অব পিস ও সহযোগী রাষ্ট্রগুলোকে অনুমোদন দেয়া হয়। তবে অক্টোবরে শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতি এখনও নাজুক অবস্থায় রয়েছে এবং চলমান সহিংসতায় মানবিক সংকট আরও গভীর হয়েছে।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন