স্থানীয় সময় শুক্রবার গাজায় যুদ্ধবিরতির পরবর্তী ধাপ নিয়ে মিয়ামিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ কাতার, মিশর ও তুরস্কের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন বলে হোয়াইট হাউজের একজন কর্মকর্তার দিয়ে জানিয়েছে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি।
চুক্তির দ্বিতীয় ধাপে ইসরাইলের গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার, হামাসের বদলে একটি অন্তর্বর্তী প্রশাসনের হাতে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের শাসনভার দেয়া এবং একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী মোতায়েনের কথা রয়েছে।
এর মধ্যেই, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গাজা যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি আলোচনা করতে মন্ত্রিসভায় বৈঠক করেছেন। ইসরাইলের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম কান জানিয়েছে, বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান পরিবর্তনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
এক জ্যেষ্ঠ ইসরাইলি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে গণমাধ্যমটি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানে বড় পরিবর্তন এলে বা রাজনৈতিক উদ্যোগ ব্যর্থ হলে, গাজায় নতুন করে সামরিক অভিযান শুরুর বিকল্পও আলোচনা হয় বৈঠকে।
আরও পড়ুন: গাজায় সহায়তা প্রবেশে বাধা, প্রচণ্ড শীতে জমে ফিলিস্তিনি নবজাতকের মৃত্যু
এদিকে, শীতকালীন ঝড় আর তীব্র ঠান্ডায় চলতি মাসে গাজায় ১৭ জনের বেশি ফিলিস্তিনি মারা গেছেন বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ইসরাইল এখনো যুদ্ধবিধস্ত এলাকায় আশ্রয় ও অন্যান্য মানবিক সহায়তার প্রবেশে কড়াকড়ি চালিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন উপত্যকাটির বাসিন্দারা।
গাজা সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, ডিসেম্বরের শুরু থেকে ভারি বৃষ্টি, ঝড়োবাতাস এবং তীব্র ঠান্ডার কারণে ঘরবাড়ি, প্রাচীর এবং ছাউনি ধসে পড়েছে।
বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি জানিয়েছে, ১০ অক্টোবরের যুদ্ধবিরতির পর গাজা অঞ্চলে খাদ্যের সরবরাহ কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে সাধারণ মানুষ এখনও যুদ্ধ করে যাচ্ছে। শুধু খাদ্যের প্রাপ্যতাই যথেষ্ট নয় উল্লেখ করে সংস্থাটি জানায়, গাজায় জীবনযাত্রার মান এখনও খুবই খারাপ পর্যায়ে রয়েছে।
যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার দুই মাস পরও, ইসরাইলের ত্রাণের ট্রাক প্রবেশে কঠোর সীমাবদ্ধতা আরোপ চুক্তির মানবিক প্রটোকল লঙ্ঘন বলেও মন্তব্য করেছে সংস্থাটি।
]]>
৩ সপ্তাহ আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·