ম্যাচ শেষে আগা 'স্পিরিট অব দ্য গেম'র কথা উল্লেখ করে বলেন, তিনি যদি ফিল্ডার হতেন, তাহলে ভিন্নভাবে আচরণ করতেন এবং খেলাধুলার মনোভাব দেখাতেন।
ঘটনাটি ঘটে যখন বোলার মিরাজ পাকিস্তানি ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ানের শট থামাতে গিয়ে নন-স্ট্রাইকার প্রান্তে থাকা আগার সঙ্গে ধাক্কা খান। বলটি কুড়াতে গিয়ে আগাও নিচু হন, সম্ভবত তিনি মনে করেছিলেন বলটি ডেড হয়ে গেছে এবং সেটি তুলে বোলারের হাতে দিতে চেয়েছিলেন।
কিন্তু তার আগেই মেহেদী বলটি তুলে স্টাম্পে আঘাত করেন, তখন আগা ক্রিজের বাইরে ছিলেন।
আরও পড়ুন: হায়দরাবাদকে নেতৃত্ব দেবেন লাবুশেন
এমসিসি তাদের বিবৃতিতে জানায়, আম্পায়ারদের সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল এবং এখানে ভিন্ন কিছু করার সুযোগ ছিল না। তারা বলেছে, 'আইন অনুযায়ী নন-স্ট্রাইকার ক্রিজের বাইরে ছিলেন যখন উইকেট ভাঙা হয় এবং বল তখনও খেলায় ছিল, সুতরাং এটি আউট।'
তারা আরও বলে, আগা বলটি তুলতে গিয়ে 'অবস্ট্রাক্টিং দ্য ফিল্ড' (ফিল্ডিংয়ে বাধা সৃষ্টি) আউট হওয়ার ঝুঁকিতেও ছিলেন। তার উচিত ছিল ওই সময় ক্রিজে ফেরার চেষ্টা করা।
এমসিসি স্পষ্ট করে দেয়, এখানে বলকে 'ডেড বল' ধরা যায় না। খেলোয়াড়দের মধ্যে ধাক্কা লাগলেই বল ডেড হয়ে যায় না, এমন হলে খেলোয়াড়রা ইচ্ছাকৃতভাবে ধাক্কা খুঁজে নিতে পারত। গুরুতর আঘাত না থাকায় ডেড বল দেওয়ারও সুযোগ ছিল না।
অক্টোবর থেকে নতুন আইন কার্যকর হলেও এই সিদ্ধান্ত বদলাবে না। নতুন আইনে আম্পায়ার বল স্থির হয়ে গেলে 'ডেড' ঘোষণা করতে পারবেন, কিন্তু এই পরিস্থিতিতে বল স্থির ছিল না এবং ফিল্ডার আউট করার চেষ্টা করছিল।
আরও পড়ুন: পিএসএলে নিজ দেশের খেলোয়াড় ও কোচদের জন্য অস্ট্রেলিয়ার সতর্কবার্তা
শেষে এমসিসি জানায়, আইন অনুযায়ী এটি অবশ্যই আউট। তবে 'স্পিরিট অব ক্রিকেট'র প্রশ্নে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্পূর্ণ ফিল্ডিং দলের উপর নির্ভর করে।
তাদের মতে, মেহেদী চাইলে আপিল তুলে নিতে পারতেন, কারণ আগা ভেবেছিলেন বল ডেড এবং সংঘর্ষের কারণে তার পক্ষে ক্রিজে ফেরা কঠিন হয়ে পড়েছিল। তবে আইন ফিল্ডিং দলকে এমন ক্ষেত্রে আপিল প্রত্যাহারের স্বাধীনতা দেয়।

৩ সপ্তাহ আগে
৫








Bengali (BD) ·
English (US) ·