টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে জিম্বাবুয়ে ৩৫.৫ ওভারে মাত্র ১২৮ রানে গুটিয়ে যায়। পাকিস্তানি বোলার আলি রাজা, মোহাম্মদ সাইয়্যাম ও আবদুল সুবহানের কার্যকর বোলিংয়ে জিম্বাবুয়েকে অল্পতেই আটকে দেয়।
টার্গেট তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান ইনিংস শুরুতে চমৎকার রানের গতি দেখায়। তবে ১৫.৩ ওভারে ৮৯ রানে পৌঁছানোর পর, পরবর্তী ৬৩ বলেই পাকিস্তান মাত্র ৩১ রান যোগ করে। এভাবে তারা দুই উইকেট হারিয়ে হলেও গতি সীমিত রাখে। কিন্তু এই ধীরগতিই ছিল কৌশলগত সিদ্ধান্ত। পাকিস্তান চাইছিল ২৬ ওভার পূর্ণ হওয়ার পর জয় নিশ্চিত করতে।
আরও পড়ুন: বৃষ্টিতে ভেসে গেল ম্যাচ, কঠিন সমীকরণের সামনে বাংলাদেশ
যদি পাকিস্তান ২৬ ওভারের আগে জয় পেত, তবে স্কটল্যান্ড সুপার সিক্সে উঠতো এবং জিম্বাবুয়ে বাদ যেত। পাকিস্তান দুই বল দেরিতে জয় নিশ্চিত করে এবং ফলাফল, জিম্বাবুয়ে সুপার সিক্সে আর বাদ পড়ে স্কটল্যান্ড। সামির মিনহাস অপরাজিত ৭৪ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচ সেরার পুরস্কার পান। উসমান খান ও আহমেদ হুসেইন যথাক্রমে ২৬ ও ২৪ রান যোগ করেন।
পাকিস্তানের এই কৌশলটি কেবল ম্যাচ জেতার জন্য নয়, বরং সুপার সিক্সের নিয়ম অনুযায়ী নিজেদের সুবিধা বজায় রাখার জন্য। সুপার সিক্সে প্রতিটি দল আগের গ্রুপ পর্বের নির্দিষ্ট পয়েন্ট ও নেট রানরেট ক্যারি করে। স্কটল্যান্ড উঠলে পাকিস্তানকে কম রানরেট ক্যারি করতে হতো কারণ স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে তারা জিতেছিল ৪৪তম ওভারে। কিন্তু জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২৬.২ ওভারেই ম্যাচ জেতার ফলে তাদের নেট রানরেট ভালো থাকে, যা পরবর্তী রাউন্ডের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ফলে পাকিস্তানের এই ধীর গতি কৌশল মাঠে এবং টেবিলে দুই দিকেই কার্যকর হলো। যদিও কিছু সমালোচক বলবেন এটি স্পিরিট অফ দ্য গেমের বাইরে, বাস্তবে প্রমাণ করা সম্ভব নয় যে পাকিস্তান ইচ্ছা করেই স্কটল্যান্ডকে বাদ দিয়েছে।

১ দিন আগে
৩







Bengali (BD) ·
English (US) ·