শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝিকাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানান রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া।
নিহত শফিউল আলম ওরফে লেদা পুতু (২৮) একই এলাকার মৃত আব্দুল হাকিমের ছেলে।
পুলিশ জানিয়েছে, শফিউল আলম নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় চোরাকারবারি ও ডাকাত শাহীন বাহিনীর প্রধান শাহীনের সহযোগী। সে একজন চিহ্নিত ডাকাত। ডাকাতি ও হত্যাসহ নানা অভিযোগে তার বিরুদ্ধে রামু থানায় ১২টির বেশি মামলা রয়েছে।
নিহতের স্বজনদের বরাতে ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, ‘ভোররাতে শফিউল আলম ওরফে লেদা পুতু নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। একপর্যায়ে তার পূর্বপরিচিত তিনজন ব্যক্তি তাকে বাড়ি থেকে ডেকে বের করে। এর কিছুক্ষণ পরই তার মাথায় কয়েকটি গুলি করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।’
আরও পড়ুন: কক্সবাজারে ৩ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার, ৪ আসনে লড়ছেন ১৭ জন
পরে খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় শফিউল আলম ওরফে লেদা পুতুর মরদেহ উদ্ধার করে।
ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া আরও জানান, ডাকাতদলের মধ্যে বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ প্রাথমিক তথ্য পেয়েছে। তারপরও ঘটনার কারণ জানতে পুলিশ খোঁজখবর নিচ্ছে।
নিহতের স্ত্রী ইয়ামিন আক্তার বলেন, ‘আমার স্বামী লেবু চাষের পাশাপাশি সবজি ব্যবসা করতেন। গভীর রাতে বাড়িতে তিনি খাবার খাচ্ছিলেন। এ সময় তার পূর্বপরিচিত তিনজন লোক আলাপের কথা বলে তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে বাড়ির সামনে পরপর কয়েকটি গুলি করে তাকে ফেলে রেখে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।’
নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
]]>
১০ ঘন্টা আগে
২







Bengali (BD) ·
English (US) ·