বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুরের দিকে আমবাড়ী এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. সাইদুজ্জামান ও আমিনা খাতুন, অভিভাবক এম এ সালাম সরকার, রফিকুল ইসলাম, আলতাফ হোসেন মাদো প্রমুখ। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ষষ্ঠ শ্রেণির লিটন মিয়া, চতুর্থ শ্রেণির ইসরাত জাহান ঐশী, সপ্তম শ্রেণির মাহমুদুল, তৃতীয় শ্রেণির মিনহাতাবাচ্ছুম মিম এবং চতুর্থ শ্রেণির হুমায়া আক্তার হিমু বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা অভিযোগ করেন, প্রায় এক মাস ধরে বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা লাগিয়ে রাখা হয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান বন্ধ রয়েছে। এতে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে তাদের শিক্ষাজীবন। তারা দ্রুত বিদ্যালয়টি খুলে দিয়ে আগের মতো পাঠদান চালুর দাবি জানান।
বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম নাঞ্জু জানান, ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়টি সুনামের সঙ্গে পরিচালিত হয়ে আসছিল। তবে গত ৫ মার্চ মাসুদ রানা ও জমিদাতার ছেলে শিক্ষক সোহেল রানা এসে বিদ্যালয়ে তালা দেন। পরবর্তীতে একাধিকবার আলোচনা করেও সমাধান হয়নি। অভিযুক্তরা তাদের নিয়োগ দেওয়ার শর্তে তালা খোলার কথা বলছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আরও পড়ুন: নাব্যতা সংকট / চিলমারী-রৌমারী রুটে সাড়ে ৪ মাস ধরে ফেরি চলাচল বন্ধ
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে দুই শতাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। চরাঞ্চলে বিকল্প কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না থাকায় শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। বাধ্য হয়ে খোলা আকাশের নিচে, গাছতলায় বা বিভিন্ন বাড়িতে ক্লাস নিতে হচ্ছে, যা শিক্ষার মানে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক সোহেল রানা দাবি করেন, তার বাবা মৃত্যুর আগে বিদ্যালয়ে তালা দিয়ে গেছেন এবং এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।
রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আলাউদ্দিন বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই, খোঁজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

১ সপ্তাহে আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·