ভোরের আলো ফুটতেই নরসুন্দার তীরে সমবেত হতে থাকেন মুসল্লিরা। ঐতিহাসিক শোলাকিয়া যেন মুহূর্তেই রূপ নেয় এক বৈষম্যহীন পৃথিবীর ক্ষুদ্র প্রতিচ্ছবিতে। দেশের নানা প্রান্ত থেকে বিশেষ ট্রেন ও নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ছুটে আসেন ধর্মপ্রাণ মানুষ।
অনেকেই বছরের পর বছর ধরে ঐতিহ্যের টানে এই মাঠে নামাজ আদায় করে আসছেন, আবার অনেকের জন্যই এটি ছিল প্রথম অভিজ্ঞতা। সবার চোখেমুখেই ছিল প্রভুর নৈকট্য লাভের তীব্র আকাঙ্ক্ষা ও উচ্ছ্বাস। সমবেত মুসল্লিদের ভিড় একপর্যায়ে মাঠ ছাড়িয়ে আশপাশের সড়ক ও অলিগলিতে গিয়ে পৌঁছায়।
আরও পড়ুন: শোলাকিয়ায় ঈদ জামাত: নিরাপত্তায় ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
লাখো মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শহরজুড়ে মোতায়েন ছিল সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও র্যাবের সমন্বয়ে চার স্তরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয়। কড়া নিরাপত্তা পেরিয়েই মুসল্লিরা ঈদগাহে প্রবেশ করেন। শত বছরের পুরোনো ঐতিহ্য মেনে বন্দুকের গুলি বা ফাঁকা আওয়াজ ছুড়ে নামাজ শুরুর সংকেত দেয়া হয়।
সকাল ১০টায় জামাতে ইমামতি করেন বিশিষ্ট আলেম মুফতি আবুল খায়ের মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ। জামাতে অন্যদের মধ্যে অংশ নেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম।
নামাজ শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ খুতবা পেশ করেন খতিব সাইফুল্লাহ। এরপর মোনাজাতে লাখো মুসল্লি একসঙ্গে হাত তুলে রাষ্ট্র, সমাজ ও বৈশ্বিক শান্তির জন্য প্রার্থনা করেন। শোষণমুক্ত, সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের এক বিশ্ব গড়ার আকুতি উঠে আসে ইবাদতের এই মহামিলনে।
]]>
৭ ঘন্টা আগে
১





Bengali (BD) ·
English (US) ·