বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাতের ঘন কালো মেঘ কেটে ভোরের আলো ফুটতেই শুরু হয় বৃষ্টি। প্রথমদিকে স্বস্তির পরিবেশ থাকলেও পরে টানা মুষলধারে বৃষ্টিতে পরিস্থিতি বদলে যায়। রাস্তায় যান চলাচল ধীর হয়ে পড়ায় নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছাতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।
অফিসগামী এক যাত্রী কায়সার বলেন, বৃষ্টি শুরুতেই ভালো লাগছিল, কিন্তু এখন রাস্তায় পানি আর যানজটে সময়মতো অফিসে পৌঁছানো কষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
আরও পড়ুন: ভোর থেকেই বৃষ্টি, দুপুর পর্যন্ত কেমন থাকবে ঢাকার আবহাওয়া?
অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষরা। জীবিকার তাগিদে কাকভেজা অবস্থায়ও তারা কাজের উদ্দেশ্যে বের হতে বাধ্য হচ্ছেন। রিকশাচালক আলামিন বলেন, বৃষ্টি হোক বা ঝড়, কাজ না করলে তো চলবে না। তাই বাধ্য হয়েই বের হয়েছি।
এদিকে আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, এই ধরনের বৃষ্টিপাত আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে, যা ৫ মে পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। সতর্কতাস্বরূপ দেশের সব সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
অধিদফতর আরও জানিয়েছে, দেশের সব বিভাগেই ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টি, বজ্রপাত, দমকা হাওয়া এবং শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
]]>
৩ ঘন্টা আগে
২







Bengali (BD) ·
English (US) ·