একের পর এক শীর্ষ সহযোগীর পদত্যাগ, ক্ষমা চাওয়ার পরও চাপে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

৪ সপ্তাহ আগে
ক্ষমা চেয়েও রাজনৈতিক চাপ থেকে মুক্তি মিলছে না ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের। কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ থাকা পিটার ম্যান্ডেলসনকে যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রদূত নিয়োগ ঘিরে শুরু হওয়া বিতর্কে একের পর এক শীর্ষ সহযোগীর পদত্যাগ তার নেতৃত্বকে সংকটের মুখে ফেলেছে। পরিস্থিতি এখন সরাসরি স্টারমারের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

ক্ষমা চেয়েও রাজনৈতিক চাপ থেকে মুক্তি মিলছে না ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের। কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ থাকা পিটার ম্যান্ডেলসনকে যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রদূত নিয়োগ ঘিরে শুরু হওয়া বিতর্কে একের পর এক শীর্ষ সহযোগীর পদত্যাগ তার নেতৃত্বকে সংকটের মুখে ফেলেছে। পরিস্থিতি এখন সরাসরি স্টারমারের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

 

কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের একের পর এক নথি ফাঁসের ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছেন বিশ্বের বিত্তশালী ধনী আর প্রভাবশালী নেতারা। তবে নথিতে নাম না থাকলেও, চুপ থাকার দায়ে এবার তোপের মুখে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।

 

বিতর্কের সূত্রপাত ২০২৪ সালে লর্ড পিটার ম্যান্ডেলসনকে যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেয়া থেকে। পরবর্তীতে প্রকাশ পায়, দণ্ডপ্রাপ্ত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের বিষয়টি। এই তথ্য গোপন থাকার দায় স্বীকার করে ক্ষমা চান ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, তবে তাতে রাজনৈতিক ক্ষোভ প্রশমিত হয়নি।

 

বিতর্কের জেরে প্রথমে পদত্যাগ করেন স্টারমারের চিফ অব স্টাফ মর্গান ম্যাকসুইনি। অভিযোগ রয়েছে, এপস্টেইনের সঙ্গে ম্যান্ডেলসনের সম্পর্ক জানার পরও রাষ্ট্রদূত হিসেবে তার নিয়োগের সুপারিশ করেছিলেন ম্যাকসুইনি। তার পরদিনই পদত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রীর যোগাযোগ প্রধান টিম অ্যালান। শীর্ষ দুই সহযোগীর বিদায়ে ডাউনিং স্ট্রিটে নেতৃত্ব সংকট আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। 

 

আরও পড়ুন: সিএনএনের প্রতিবেদন /এপস্টেইন ঝড়ে ক্ষমতাচ্যুত হতে পারেন ব্রিটেনের কিয়ার স্টারমার

 

এই প্রেক্ষাপটে স্কটিশ লেবার পার্টির নেতা আনাস সারওয়ার প্রকাশ্যে স্টারমারের পদত্যাগ দাবি করেন। তিনি বলেন, ডাউনিং স্ট্রিট থেকে একের পর এক ভুল সিদ্ধান্ত স্কটল্যান্ডে লেবার পার্টির রাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল করছে। সাম্প্রতিক জনমত জরিপে স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টি ও রিফর্ম পার্টির পেছনে পড়ে লেবার পার্টি তৃতীয় অবস্থানে নেমে গেছে।

 

তবে চাপের মধ্যেও পদ ছাড়তে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন কিয়ার স্টারমার। সংসদীয় লেবার পার্টির বৈঠকে তিনি বলেন, নিজের ম্যান্ডেট ছেড়ে যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। মন্ত্রিসভার বেশিরভাগ সদস্য প্রকাশ্যে তার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। ডাউনিং স্ট্রিট বলছে, প্রধানমন্ত্রী দায়িত্বে থেকেই আসন্ন নির্বাচন ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবেন।

 

এদিকে ব্রিটিশ রাজপরিবারের দৃষ্টিকোণ থেকেও এপস্টেইন কেলেঙ্কারি নতুন মাত্রা পেয়েছে। প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে রাজা চার্লস বলেছেন, তার ভাই অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন–উইন্ডসরকে ঘিরে ওঠা অভিযোগগুলো নিয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। বাকিংহাম প্যালেস জানিয়েছে, অভিযোগগুলোর তদন্তে যদি পুলিশ সহায়তা চায়, তাহলে রাজপরিবার তা দিতে প্রস্তুত।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন