একটি দল শুরু থেকেই সরকারকে ব্যর্থ প্রমাণের চেষ্টা করছে: মির্জা আব্বাস

২ সপ্তাহ আগে
একটি রাজনৈতিক দল শুরু থেকেই সরকারকে ব্যর্থ প্রমাণের চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাজধানীর শায়লা হাফিজ মিলনায়তনে হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল ইউনিট বিএনপি আয়োজিত এক ইফতার ও দোয়া মাহফিলে এ অভিযোগ করেন তিনি।

 

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘নতুন সরকার দেশের আন্দোলনের দাবির একটি অংশ হিসেবে কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রায় ৩৬ হাজার সুবিধা চালু করেছে এবং পর্যায়ক্রমে আরও অনেক সুবিধা চালু করা হবে।

 

বর্তমান সরকার একেবারেই নতুন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘একটি শ্রেণীর মানুষ ও রাজনৈতিক দল শুরু থেকেই এমনভাবে কথা বলছে যেন এটি ১৭ বছরের পুরোনো সরকার, অথচ কিছুই করছে না। নির্বাচন শেষ হওয়ার পরপরই সরকার কাজ শুরু করেছে। নির্বাচনের রেশ কাটাতেই অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে।’

 

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘এখনই সবকিছু দেয়া সম্ভব নয়। প্রতিটি সরকারই সময় নিয়ে কাজ করে। তবে বর্তমান সরকার বিশ্রাম নেয়ার সুযোগ না পেয়েই কাজ শুরু করেছে।’

 

আরও পড়ুন: দেশে অরাজকতা নয়, সরকারকে কাজ করতে দিন: মির্জা আব্বাস

 

বর্তমানে সারা বিশ্বেই দূরবস্থা চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এ কারণে কিছু সমস্যা হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু একটি শ্রেণীর রাজনৈতিক দল এসব বিষয়কে ব্যবহার করে সরকারকে বিব্রত করার চেষ্টা করছে। কোনো সরকারকে বিব্রত করে যদি কেউ ক্ষমতায় আসে, তাহলে তাকেও একদিন বিব্রত করা হবে। এতে দেশের উন্নয়ন হবে না।’

 

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, ‘উন্নয়ন বলতে শুধু রাস্তাঘাট বা সেতু নির্মাণকে বোঝায় না। মানুষের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ও চিকিৎসা নিশ্চিত করাও উন্নয়নের অংশ।’

 

চিকিৎসা খাতের প্রসঙ্গ তুলে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি নিজেও একজন রোগী হিসেবে চিকিৎসার সঙ্গে সম্পৃক্ত।’

 

চিকিৎসকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘মানুষের সেবা করা একদিকে পেশা, অন্যদিকে খেদমতের কাজ। এই দুই বিষয় একসঙ্গে ধরে রেখে চিকিৎসার মান আরও উন্নত করতে হবে। বাংলাদেশে চিকিৎসা খাতে কয়েকটি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। এর মধ্যে হার্টের অপারেশন, চোখের চিকিৎসা, দাঁতের চিকিৎসা ও ডায়াবেটিস চিকিৎসা অন্যতম। ডায়াবেটিস চিকিৎসার জন্য প্রতিবেশী দেশ থেকেও রোগীরা বাংলাদেশে আসে।’

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন