বুধবার (১ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় শুরু হয় বিশেষ অভিযান। নেতৃত্ব দেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সদস্যরা। ফার্মগেট, মগবাজার ধোলাইপাড়সহ রাজধানীর ৮টি স্থানে গুঁড়িয়ে দেয়া হয় কয়েকটি দোকান।
ফার্মগেটের সেজান পয়েন্ট মার্কেটের সামনে ডিএমপির ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে আসার খবর পেয়ে আগেই সটকে পড়েন অনেক অবৈধ দোকানি। সড়ক থেকে নিজ উদ্যোগেই সরিয়ে নেয় দোকানপাট। আর মার্কেটের বর্ধিতাংশে যারা দোকান দিয়েছে তাদের সতর্ক করেছে ডিএমপির স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট।
এক দোকানি বলেন, আমরা মার্কেটের সামনে দোকান করে ব্যবসা করছি। রাস্তায় তো দোকান করিনি।
আরেক দোকানি বলেন, আমরা অবৈধভাবে দোকান করছিলাম তাদের আমাদের সরিয়ে দিয়েছে।
ডিএমপি ট্রাফিকের তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রথম দিনই সতর্ক করা হয়েছে। পরবর্তীতে নির্দেশনা না মানলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। রাস্তায় জবরদখল করে থাকে, গাড়ি চলাচলের সমস্যা করে। রাস্তার উপর থেকে অবৈধ দোকান, ভ্যান, টেসলা সরিয়ে নেয়ার জন্য তাদেরকে অনুরোধ করেছি।
আরও পড়ুন: ফুটপাত দখল করে ব্যবসা বন্ধে অভিযানে নামছে ডিএমপি
ডিএমপির স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আল ফয়সাল বলেন, দ্বিতীয়বার তারা যদি অপরাধ করে তাহলে আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। জরিমানার পাশাপাশি তাদের মালামাল জব্দ করা হবে।
ফার্মগেটের পর অভিযান চলে মোহাম্মদপুরে। বেড়িবাঁধ থেকে বসিলা পর্যন্ত ইট বালির ভাসমান দোকান সরিয়ে ফেলার নির্দেশনা দেয়া হয়। এ সময় দোকানের বাইরে রাস্তার পাশে ওয়ার্কশপ মালিককে জরিমানা করা হয়।
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও ধোলাইখালেও হয়েছে উচ্ছেদ অভিযান। ফুটপাতে বিভিন্ন দোকানের বর্ধিতাংশ ভেঙে ফেলা হয়। হকারদের দোকান ও সড়ক দখল করে রাখা মালামালও সরিয়ে ফেলা হয়। এসময় যাত্রাবাড়ীতে ৬টি প্রতিষ্ঠানকে ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করেন ম্যাজিস্ট্রেট। ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত না করায় ১০ জনকে আটক করা হয়।
ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল আরও বলেন, পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অন্যদের সতর্ক করা হয়েছে। কিছু কিছু মানুষ আমাদের দেখে সরিয়ে নিয়েছে।
দোকানি ও ব্যবসায়ীরা সচেতন না হলে ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করা সম্ভব নয়, জানিয়ে সবাইকে সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি।

১ সপ্তাহে আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·