ঈদের পোশাকের ছলে অপহরণ: পটুয়াখালী থেকে শ্যামপুর–যেভাবে উদ্ধার হলো ৯ বছরের হোসেন

৩ সপ্তাহ আগে
নতুন জামা পরে ঈদে আনন্দ করবে–এমন এক চিলতে স্বপ্নই কাল হতে বসেছিল ৯ বছরের মাদ্রাসা ছাত্র মোহাম্মদ হোসেনের জন্য।

ঈদের পোশাক কিনে দেয়ার প্রলোভনে পড়ে অপহরণের শিকার হওয়া এই শিশুকে রাজধানীর শ্যামপুরের একটি অন্ধকার ঘর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত মূল হোতা আলী হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
 

পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বিকেলে বন্দর উপজেলার চাঁনপুর এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় হোসেন।


অভিযোগ ওঠে, ঈদের পোশাক কিনে দেয়ার কথা বলে তাকে ভুলিয়ে নিয়ে যায় দুষ্কৃতকারীরা। এরপরই শুরু হয় পরিবারের দুঃস্বপ্ন। ফোনে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা হুমকি দেয়–টাকা না দিলে হোসেনকে মেরে ফেলা হবে।
 

আরও পড়ুন: অপহরণের ১০ দিন পর দস্যুদের জিম্মি থেকে ৬ জেলে উদ্ধার


প্রাথমিক অবস্থায় নিরুপায় হয়ে পরিবারটি ১৫ হাজার টাকা পাঠালেও মুক্তি মেলেনি হোসেনের। অপহরণকারী আলী হোসেন শিশুটিকে রাজধানীর শ্যামপুরের একটি ভাড়া বাসায় তালাবদ্ধ করে রেখে কৌশলে পালিয়ে যায় তার গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীতে।


শনিবার (২১ মার্চ) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সি জানান, প্রযুক্তির সহায়তায় প্রথমে পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইসলামপুর থেকে অপহরণকারী আলী হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার গভীর রাতে শ্যামপুরের সেই তালাবদ্ধ ঘর থেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় হোসেনকে।


উদ্ধারের পর মোহাম্মদ হোসেনকে তার অশ্রুসজল মা-বাবার কাছে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় অপহরণ চক্রের বাকি সদস্যদের ধরতেও অভিযান অব্যাহত রেখেছে জেলা পুলিশ।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন