ঈদের দিন নফল নামাজ পড়ার বিধান

৩ সপ্তাহ আগে
ঈদ মুসলমানদের আনন্দের উৎসব। ঈদের দিন প্রথম কাজ হলো ঈদগাহে গিয়ে ঈদের নামাজ পড়া। রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও তার সাহাবিদের যুগে এমন আমল ছিল। তাই ঈদের নামাজের আগে আর কোনো কাজে ব্যস্ত থাকা ঠিক না।

সে হিসেবে ঈদের দিন সকালে ইশরাক নামাজ পড়া যায় না। এছাড়া ঈদের নামাজের আগে চাশত তো পড়া যাবে না, ঈদের মাঠেও চাশতের নিয়ত করা যাবে না।

 

ঈদের দিন ঈদের নামাজের আগে নারী-পুরুষ সবার জন্যই কোনো নফল নামাজ নেই। হাদিস শরিফে হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে,

 

أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَرَجَ يَومَ أَضْحَى، أَوْ فِطْرٍ، فَصَلَى رَكْعَتَيْنِ، لَمْ يُصَلِّ قَبْلَهَا وَلَا بَعْدَهَا.

 

রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল আজহা বা ঈদুল ফিতরের দিন বের হয়ে ঈদের দুই রাকাত নামাজ পড়েছেন। আগে পরে কোনো নামাজ পড়েননি। (মুসলিম ৮৮৪)

 

আরও পড়ুন: জীবনে একবার হলেও যে নামাজ পড়তে বলেছেন নবীজি

 

উক্ত হাদিসের আলোকে ফুকাহায়ে কেরাম বলেছেন, ঈদের দিন নারী-পুরুষ কেউই ঈদের নামাজের আগে নফল নামাজ পড়বে না। ঈদগাহে ঈদের নামাজের পরও কোনো নফল নামাজ পড়বে না।

 

ওলামায়ে কেরাম ঈদের নামাজের আগে নফল পড়াকে মাকরুহ বলেছেন। কারণ, হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) এটা অপছন্দ করতেন। তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদের দিন দুই রাকাত [ঈদের নামাজ] নামাজ পড়লেন, যার আগে বা পরে কোনো [নফল] নামাজ পড়েননি। (বুখারি ৫৮৮৩)

 

আরেক হাদিসে আছে, হজরত আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদের নামাজের আগে কোনো [নফল] নামাজ পড়তেন না। যখন নামাজ থেকে ফারেগ হয়ে ঘরে চলে আসতেন তখন দুই রাকাত [নফল] নামাজ পড়তেন। (ইবনে মাজাহ ১২৯৩, কুবরা লিল-বায়হাকি ৬২২৮)

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন