দীর্ঘ ১৯ বছর পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এই নিয়োগ আদেশ প্রত্যাহারের মাধ্যমে তাদের চাকরিতে যোগদানের সুযোগ দেয়া হয়েছে।
সোমবার (১৬ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ শাখা-২ থেকে জারি করা এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
উপসচিব ফরিদা খানমের সই করা আদেশে বলা হয়েছে, ২০০৬ সালে নিয়োগের জন্য বাছাইকৃত এই ৩৩০ জন কর্মকর্তাকে বিশেষ কিছু শর্তে চাকরিতে নিয়োগের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০০৭ সালে যদি নিয়োগ প্রক্রিয়াটি বাতিল না হতো, তবে আবেদনকারীরা স্বাভাবিক নিয়মে যে তারিখে চাকরিতে যোগদান করতেন, সেই তারিখ থেকেই তাদের ভূতাপেক্ষ জ্যেষ্ঠতা (আর্থিক সুবিধা ব্যতীত) নির্ধারণ করা হবে। এ ছাড়া নিয়োগপ্রাপ্তদের মৌলিক প্রশিক্ষণকাল ৬ মাসসহ মোট দুই বছর শিক্ষানবিশকাল হিসেবে গণ্য হবে।
আরও পড়ুন: র্যাবের নতুন মহাপরিচালক আহসান হাবীব পলাশ
লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ফলাফল এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-বিধান অনুসরণ করে পরবর্তী সময়ে এই ব্যাচের গ্রেডেশন তালিকা চূড়ান্ত করা হবে।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, বর্তমানে আবেদনকৃত ৩৩০ জন ছাড়াও একই ব্যাচের অন্য কোনো প্রার্থী যদি ভবিষ্যতে চাকরি ফেরত পাওয়ার আবেদন করেন, তবে গঠিত কমিটি কর্তৃক প্রার্থীর বৈধতা যাচাই এবং পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হওয়া সাপেক্ষে তাদেরও একই প্রক্রিয়ায় নিয়োগ দেয়া হবে।
২০০৬ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে এই সার্জেন্ট ও সাব-ইন্সপেক্টরদের নিয়োগের জন্য বাছাই করা হয়েছিল। তবে ২০০৭ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর ‘দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ’ হয়েছে–এমন অভিযোগে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াটি বাতিল করা হয়। দীর্ঘদিন আইনি ও প্রশাসনিক লড়াইয়ের পর অবশেষে বর্তমান সরকার তাদের নিয়োগ পুনর্বহালের নির্দেশ দিলো।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ আইন ও বিধিবিধান অনুসরণ করে দ্রুত পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করেছে।

৩ সপ্তাহ আগে
৭








Bengali (BD) ·
English (US) ·