দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকায় মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) প্রকাশিত কিছু খবর নিচে তুলে ধরা হলো।
ঈদযাত্রায় কঠিন চ্যালেঞ্জ - দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রধান খবর এটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিবছর ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে প্রিয়জনদের কাছে ছুটে যাওয়া, আবার জীবিকার টানে ফিরে আসা-এ দুই দফার যাত্রাপথে সীমাহীন কষ্টের পরিচিত দুর্ভোগগুলোর সঙ্গে এবার নতুন যুক্ত হয়েছে তেলসংকট।

সব মিলিয়ে এবারের ঈদযাত্রার চ্যালেঞ্জটা কঠিন বলেই মনে হচ্ছে; তবে নতুন সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হচ্ছে যাত্রীদের।
ভোগান্তির মূলে আট মহাসড়কে ১২৯ বাজার-বাসস্ট্যান্ড - দৈনিক সমকালের প্রধান শিরোনাম এটি।
মোটরযানের গতিসীমার নির্দেশনা অনুযায়ী, মহাসড়ক ও এক্সপ্রেসওয়েতে প্রাইভেটকার ও বাসের সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার থাকার কথা। মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে এটি ৫০ কিলোমিটার। তবে দেশের মহাসড়কগুলোতে যানবাহনের গড় গতি ঘণ্টায় ৩০ কিলোমিটারে নেমে এসেছে। ব্যস্ত সময়ে রাজধানী ঢাকায় এই গতি ঘণ্টায় মাত্র ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার।
গত ডিসেম্বরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সড়ক ভবনে এক সেমিনারে সড়ক-মহাসড়কে যান চলাচলের গতি প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ কমে আসার এ তথ্য উঠে আসে। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেছিল সড়ক বিভাগ।
গ্যাসলাইন ও সিলিন্ডার লিকেজে বিস্ফোরণ / মৃত্যুর মিছিল বাড়ছেই - দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত সংবাদ এটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকার ধামরাইয়ের বিজয় নগর এলাকায় গত ১০ মার্চ গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের চারজন দগ্ধ হন। চা বানাতে ম্যাচ দিয়ে চুলা জ্বালানোর সময় বিস্ফোরণ ঘটে আগুন ধরে যায়। ৬ মার্চ রাজধানীর উত্তরায় গ্যাসের পাইপলাইন লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের নারী-শিশুসহ ১০ জন দগ্ধ হয়েছেন।
এতে এখন পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে ২৩ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের হালিশহরের বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে নারী-শিশুসহ ৯ জন দগ্ধ হয়েছেন। তাদের মধ্যে তিন ভাই ও দুই স্ত্রীসহ ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে তিন শিশু হাসপাতালের বিছানায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছে। এমন একটি বা দুটি নয়, প্রায় প্রতিদিনই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসলাইন কিংবা সিলিন্ডার লিকেজ ও বিস্ফোরণে দুর্ঘটনা ও মৃত্যুর মিছিল বেড়েই চলেছে। এসব দুর্ঘটনায় শিশু ও নারীসহ অকালেই ঝরে পড়ছে অনেক প্রাণ।
নানা শঙ্কায় দুবাই প্রবাসীরা - দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সংবাদ এটি।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, একদিকে পড়ছে ক্ষেপণাস্ত্র। হচ্ছে ড্রোন হামলা। বিস্ফোরণে কেঁপে উঠছে গোটা এলাকা। এই ভয়ার্ত পরিবেশেই দুবাইয়ে কাজ করছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। কর্মক্ষেত্রে মৃত্যু তাড়া করছে তাদের। কখন কোথায় মিসাইল-ড্রোন পড়বে কেউ জানেন না। তার ওপর কঠোর বিধি লঙ্ঘনে চলছে গ্রেফতার। শিকার হচ্ছেন নানা বিড়ম্বনার। সোমবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে প্রবাসীসহ স্থানীয়দের মধ্যে।
দুবাই বিমানবন্দরের কাছে একটি ড্রোন হামলায় জ্বালানি ট্যাংকে আগুন লাগায় ফ্লাইট চলাচলে সাময়িক বিঘ্ন ঘটে। অন্যদিকে আবুধাবিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এক ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আমিরাতে এ পর্যন্ত সাতজনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এসব বিষয়ে মানবজমিন সরাসরি যোগাযোগ করেছে দুবাইয়ে বসবাসরত বাংলাদেশিদের সঙ্গে। তারা জানিয়েছেন, দুবাইয়ে সবকিছু স্বাভাবিক থাকলেও আতঙ্ক বড় বিষয় হয়ে জনজীবনে প্রভাব ফেলছে। কখন কীভাবে কোথায় হামলা হবে কেউ জানেন না। হামলা হচ্ছে দুবাইয়ের বিভিন্ন স্থাপনায় তবে চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
ঈদ সামনে রেখে নির্ঘুম রাত কাটছে দর্জিদের - দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত সংবাদ এটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেলাই মেশিনের শব্দে মুখর দর্জি দোকানের কারখানাগুলো। কেউ সেলাই করছেন জামা-সালোয়ার, কেউ-বা করছেন হাতে হোম সেলাই, আবার কেউ-বা করছেন পোশাকের ওভারলক। কাজের চাপে এ সময় কারিগরদের রাত কাটছে নির্ঘুম। ঈদের আর বাকি দুই/তিন দিন। রমজানের শুরু থেকে কারিগরদের ব্যস্ততা থাকে। তবে রমজানের শেষ দিকে কাজের চাপে কারিগরদের নাওয়া-খাওয়ার ফুরসত থাকে না।
ঈদের এ সময়টাতে দর্জি মজুরিও থাকে আকাশছোঁয়া। পোশাকের কাপড়ভেদে সেলাইয়ের মজুরি ভিন্ন হয়ে থাকে। তবে সর্বনিম্ন থ্রি-পিস সেলাইয়ের মজুরি এবার ঈদ বাজারে ৮০০ টাকা থেকে ২ হাজার কিংবা আড়াই হাজার টাকার বেশি। তবে জায়গা ভেদে দর্জির ডিমান্ড বুঝে মজুরি ওঠা-নামা করে। লালমাটিয়া, ধানমন্ডি, নিউ মার্কেটের দর্জি দোকানগুলো ঘুরে দেখা যায় দর্জিদের ব্যস্ততা।
তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে স্থলভাগ ও সাগরে আন্তর্জাতিক দরপত্রে যেতে চায় সরকার - দৈনিক বণিকবার্তার প্রধান খবর এটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্যাসের স্থানীয় উৎপাদন বৃদ্ধি ও ব্যয়বহুল এলএনজি আমদানি কমাতে স্থলভাগ ও সাগরের ব্লকগুলোতে দ্রুত আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করতে চায় সরকার। মোট ৪৭টি ব্লকে দরপত্র আহ্বানের প্রস্তুতি চলছে। সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনায় বিষয়টিতে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে বলে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগসংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
সাগরে ও স্থলভাগে অনুসন্ধানে দরপত্র আহ্বান বর্তমান সরকারের ১৮০ দিনের অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে বলে বণিক বার্তাকে জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘স্থলভাগের পাশাপাশি সমুদ্রেও তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করার প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের অগ্রাধিকার ১৮০ দিনের মধ্যে দরপত্রের এ বিষয়ও থাকছে।’
]]>
১৩ ঘন্টা আগে
২







Bengali (BD) ·
English (US) ·