স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মার্কিন সেনাবাহিনী এখনও ইরানের বাকি অবকাঠামো ধ্বংস করা শুরুই করেনি। তিনি আরও বলেন, পরবর্তী লক্ষ্য হতে পারে সেতু ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র। তার মতে, নতুন নেতৃত্ব জানে কী করতে হবে এবং তা দ্রুত করতে হবে।
এর আগের দিনই ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন ট্রাম্প। সেখানে তিনি বলেন, ‘আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে ইরানের ওপর খুব কঠোর হামলা চালানো হবে এবং দেশটিকে ‘পুস্তর যুগে ফিরিয়ে দেয়া’ হবে।
এদিকে তেহরান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর জ্বালানি স্থাপনা ও টেলিকম কোম্পানি লক্ষ্যবস্তু করা হবে। এর মধ্যেই পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের আরো একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে আইআরজিসি।
আরও পড়ুন: ইরানের কাছে এখনও বিপুল সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে: মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য
পাশাপাশি ইসরাইল লক্ষ্য করে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। ব্যালিস্টিক মিসাইল আঘাত হেনেছে তেল আবিব ও জেরুজালেমসহ গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে। ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বিভাগের দাবি, পেতাহ তিকভা শহরে মিসাইলের ধ্বংসাবশেষ পড়ে কয়েকটি আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার পরপরই হাজার হাজার আতঙ্কিত মানুষ বাঙ্কারে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন।
আইআরজিসি জানায়, দুবাইয়ে মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ওরাকল এবং বাহরাইনে আমাজনের ডাটা সেন্টারেও আক্রমণ চালানো হয়েছে। কুয়েতে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল শোধনাগারে চালানো হয়েছে শক্তিশালী ড্রোন হামলা। ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে জ্বালানি স্থাপনা ও টেলিকম কোম্পানি লক্ষ্য করে নজীরবিহীন আক্রমণের হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে।
এদিকে ইরানের অভ্যন্তরে হামলা অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। আলবোরজ প্রদেশের কারাজ শহরের নির্মাণাধীন বি-ওয়ান ব্রিজে চালানো ড্রোন হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়েছে। আহত হয়েছেন অনেক বেসামরিক নাগরিক।
]]>

১ সপ্তাহে আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·