ভার্জিনিয়ার আর্লিংটনে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, এইদিন সবচেয়ে বেশি যুদ্ধবিমান, বোমারু বিমান এবং হামলা পরিচালনা করা হবে। মার্কিন বাহিনীর ভাষ্য, অভিযান এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে লক্ষ্যবস্তুগুলোকে ‘নির্ভুলভাবে’ ধ্বংস করা হচ্ছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা সদরদফতর পেন্টাগনে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানিয়ে হেগসেথ বলেন, ‘এদিনই সবচেয়ে বেশি যোদ্ধা, সবচেয়ে বেশি বোমারু লড়বে, সবচেয়ে বেশি হামলা হবে।’
একইসঙ্গে হেগসেথ জানান, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় ইরানের পক্ষ থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কমে এসেছে।
আরও পড়ুন: ‘পরিণতি হবে ভয়াবহ’, যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া হুঁশিয়ারি উত্তর কোরিয়ার
ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইল এবং যুক্তরাষ্ট্রের শুরু করা ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ একই লক্ষ্য নিয়ে চলবে বলে হেগসেথ উল্লেখ করেন। আর এই লক্ষ্যগুলো হলো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডার, ক্ষেপণাস্ত্র লাঞ্চার এবং প্রতিরক্ষা শিল্পভিত্তি ধ্বংস করা। ইরানের নৌবাহিনীকে গুঁড়িয়ে দেয়া এবং তাদের পারমাণবিক অস্ত্র স্থায়ীভাবে নাকচ করে দেওয়া।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের আগের মন্তব্যর প্রতিধ্বনি করে হেগসেথ বলেন, তারা অবিরামভাবে শত্রুপক্ষকে ধ্বংস করে যাচ্ছেন। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই তা করা হচ্ছে।
এদিকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতাবা খামেনিকে দেয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের হুমকি উড়িয়ে দিয়েছেন দেশটির নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি। একই সঙ্গে ট্রাম্পকে উদ্দেশ করে তিনি কড়া সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, ‘নিজের দিকেই খেয়াল রাখুন, যেন নিজেই নির্মূল হয়ে না যান।’
আরও পড়ুন: ইরানে ট্রাম্পের শেষ লক্ষ্য কী, কীভাবে শেষ হতে পারে যুদ্ধ?
গত সোমবার ট্রাম্প ইরান ও দেশটির নতুন সর্বোচ্চ নেতার বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি দেন। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লেখেন, যদি ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলের সরবরাহ বন্ধ করার চেষ্টা করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র আগের হামলার চেয়ে ২০ গুণ বেশি শক্তভাবে আঘাত হানবে। তিনি বলেন, এমন হামলা হবে যাতে ইরানকে আর কখনো পুনর্গঠন করা সম্ভব না হয়।
এই হুমকির জবাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে লারিজানি লিখেছেন, ‘ইরান আপনার ফাঁকা হুমকিকে ভয় পায় না। আপনার চেয়েও বড়রা ইরানকে নির্মূল করতে পারেনি। নিজের প্রতি খেয়াল রাখুন যেন নির্মূল হয়ে না যান!’
]]>
২ সপ্তাহ আগে
৪





Bengali (BD) ·
English (US) ·