ইরানে ফের মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপের আহ্বান রেজা পাহলভির

১ মাস আগে
যুক্তরাষ্ট্রকে ফের ইরানে সামরিক হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের শেষ রাজার ছেলে রেজা পাহলভি। আজ শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের ফাঁকে রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এই আহ্বান জানান তিনি। বলেন, মার্কিন হামলা হলে ইরানে প্রাণহানি কমতে পারে এবং বর্তমান সরকার দ্রুত পতনের দিকে যেতে পারে।

পাহলভি দাবি করেন, ইরানের সরকার ভাঙনের মুখে রয়েছে। তার ভাষায়, ‘এটি এখন সময়ের ব্যাপার। আমরা আশা করছি, সম্ভাব্য হামলা প্রক্রিয়াটি ত্বরান্বিত করবে এবং মানুষ আবার রাস্তায় নেমে চূড়ান্তভাবে সরকারের পতন ঘটাতে পারবে।’

 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনকে তেহরানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে দীর্ঘ আলোচনায় না জড়ানোর আহ্বানও জানান রেজা পাহলভি। তার মতে, আলোচনায় অগ্রগতি না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি পদক্ষেপ নেয়া উচিত।

 

৬৫ বছর বয়সি রেজা পাহলভি ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবে তার বাবার পতনের আগে থেকেই ইরানের বাইরে বসবাস করছেন এবং সাম্প্রতিক বিক্ষোভে তিনি হয়ে উঠেছেন পরিচিত কণ্ঠ।

 

আরও পড়ুন: ইরানে কয়েক সপ্তাহব্যাপী হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

 

তবে ইরানের বিরোধী শক্তি বিভিন্ন প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠী ও আদর্শিক বিভাজনে বিভক্ত। এর মধ্যে পাহলভিকে সমর্থনকারী রাজতন্ত্রপন্থিরাও রয়েছে এবং ইরানের ভেতরে তাদের তেমন কোনো সংগঠিত উপস্থিতি নেই।

 

গত মাসে ইরানে অর্থনৈতিক দুরবস্থাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিক্ষোভ দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় আবারও সক্রিয় হয়ে ওঠেন রেজা পাহলভি। প্রায় প্রতিদিনই বিক্ষোভকারীদের উসকানি দিয়ে ভিডিও বার্তা দিতেন তিনি। শুধু তাই নয়, ট্রাম্প প্রশাসনকে বারবার ইরানে হামলার আহ্বান জানান তিনি। 

 

এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সঙ্গে নতুন পারমাণবিক চুক্তির সম্ভাবনা যাচাই করতে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি ওমানে দুই দেশের কূটনীতিকদের মধ্যে বৈঠক হয়েছে। চলতি সপ্তাহে আরও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। তবে ট্রাম্প এক বক্তব্যে বলেছেন, ইরান আলোচনায় কঠিন অবস্থান নিচ্ছে এবং প্রয়োজনে চাপ সৃষ্টি করতে হতে পারে।

 

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

 

রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ট্রাম্প নির্দেশ দিলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী কয়েক সপ্তাহব্যাপী অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে—এমন সম্ভাবনার কথাও মার্কিন কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন