পদত্যাগপত্রটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এও পোস্ট করেছেন জো কেন্ট। তাতে তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, বিবেকবোধ থেকেই তিনি এই যুদ্ধের সমর্থন করতে পারছেন না।
তিনি লিখেছেন:
আমি আমার বিবেকের তাড়নায় ইরানের ওপর চলমান এই যুদ্ধকে সমর্থন করতে পারছি না। ইরান আমাদের দেশের জন্য কোনো আসন্ন হুমকি ছিল না। এটি অত্যন্ত পরিষ্কার যে, ইসরাইল এবং তাদের প্রভাবশালী মার্কিন লবির চাপেই আমরা এই যুদ্ধে জড়িয়েছি।
কেন্ট মাকিন জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ডের অধীনে কাজ করতেন। তিনি সাবেক স্পেশাল ফোর্সেস কর্মকর্তা এবং যুদ্ধক্ষেত্রে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তার স্ত্রী শ্যানন কেন্ট ২০১৯ সালে সিরিয়ার মানবিজ শহরে এক আত্মঘাতী হামলায় নিহত হন।
আরও পড়ুন: যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের, প্রত্যাখ্যান ইরানের সর্বোচ্চ নেতার
তার পদত্যাগপত্রে তিনি ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের কিছু সামরিক পদক্ষেপের প্রশংসা করেন, যেমন ইরানের প্রয়াত সামরিক কমান্ডার জেনারেল কাসেম সোলেমানিকে হত্যার অভিযান এবং আইএসআইএসকে পরাজিত করা। তবে তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান প্রশাসন সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছে।
কেন্ট দাবি করেন, প্রশাসনের শুরুতেই ইসরায়েলের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এবং কিছু প্রভাবশালী মার্কিন গণমাধ্যম একটি ভুয়া তথ্য প্রচার চালায়, যা ‘আমেরিকা ফাস্ট’ নীতিকে দুর্বল করে এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পক্ষে জনমত তৈরি করে। তার ভাষায়, এই প্রচারণা ট্রাম্পকে ভুলভাবে বিশ্বাস করায় যে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় হুমকি, এবং দ্রুত আঘাত করলে সহজেই জয় সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, ‘এটি একটি মিথ্যা, এবং একই কৌশল ব্যবহার করে ইসরায়েল আমাদের ইরাক যুদ্ধে টেনে নিয়েছিল, যেখানে আমাদের হাজারো সেনা প্রাণ হারিয়েছে। আমরা আবার সেই ভুল করতে পারি না।’
আরও পড়ুন: ইরান যুদ্ধ শুরু করায় ট্রাম্পের তীব্র সমালোচনা শীর্ষ ডেমোক্র্যাট নেতার
]]>
৩ সপ্তাহ আগে
৫








Bengali (BD) ·
English (US) ·