ইরান যুদ্ধ নিয়ে দেয়া ট্রাম্পের ভাষণ পুরনো কথারই পুনরাবৃত্তি: সিএনএন

১ সপ্তাহে আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ নিয়ে দেয়া ‘গুরুত্বপূর্ণ আপডেট’ আসলে অনেকটা দেরিতে দেয়া সমর্থন চাওয়ার বক্তব্যে পরিণত হয়। তিনি বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে আমেরিকান জনগণের কাছে এই যুদ্ধের পক্ষে সমর্থন জোগাড় করার চেষ্টা করেছেন, যে যুদ্ধ তিনি এক মাসেরও বেশি আগে শুরু করেছিলেন।

প্রায় ২০ মিনিটের ভাষণে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই হামলা ইরান ও তাদের মিত্রদের প্রায় অর্ধশত বছরের সহিংসতার জবাব। তিনি যুক্তি দেন, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দেয়া যাবে না।

 

তিনি গত কয়েক সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অগ্রগতির কথা তুলে ধরে বোমা হামলাকে ‘এমন বিজয়, যা খুব কম মানুষ আগে দেখেছে’ বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে এই যুদ্ধকে আমেরিকানদের ভবিষ্যতের জন্য একটি ‘বিনিয়োগ’ বলে অভিহিত করেন।

 

তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—যুদ্ধ কবে শেষ হবে—এর কোনো স্পষ্ট উত্তর তিনি দেননি। 

 

আরও পড়ুন: জাতির উদ্দেশে ভাষণে ইরান যুদ্ধ নিয়ে যা বললেন ট্রাম্প

 

ট্রাম্প বলেন, ‘আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, আমাদের মূল কৌশলগত লক্ষ্যগুলো প্রায় পূরণ হয়ে এসেছে।’ কিন্তু যুদ্ধ শেষ করার পরিকল্পনা নিয়ে নতুন কিছু জানাননি, শুধু আবারও বলেছেন যে, আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহে তিনি ইরানকে ‘প্রস্তর যুগে পাঠিয়ে দেয়ার’ মতো হামলা চালাতে পারেন।

 

এছাড়া যুদ্ধের চূড়ান্ত লক্ষ্য কী হবে—যেমন স্থলবাহিনী পাঠানো হবে কি না, বা ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দখল করা হবে কি না, কিংবা হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ দুর্বল করা হবে কি না—এসব বিষয়েও তিনি কিছু বলেননি।

 

আগে যে কূটনৈতিক আলোচনায় অগ্রগতি হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেছিলেন, সেখানেও নতুন কোনো আশার কথা শোনাননি। বরং আবারও হুমকি দেন, প্রয়োজনে ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে হামলা চালানো হবে—যা যুদ্ধকে আরও বড় করে তুলতে পারে।

 

আরও পড়ুন: যুদ্ধ শেষ হলে হরমুজ প্রণালী ‘স্বাভাবিকভাবে খুলে যাবে’: ট্রাম্প

 

তিনি বলেন, ‘নতুন নেতৃত্ব কম চরমপন্থি এবং অনেক বেশি যুক্তিসঙ্গত। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে কোনো চুক্তি না হলেও আমরা গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যগুলোর দিকে নজর রাখছি।’

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন