কয়েকদিন আগে রয়টার্স একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে দাবি করা হয়, ইথিওপিয়া গোপনে একটি শিবির পরিচালনা করছে, যেখানে প্রতিবেশী সুদানের সরকারবিরোধী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) নামের আধাসামরিক বাহিনীর জন্য হাজারো যোদ্ধাকে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে ইথিওপিয়া সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে মিডিয়া কর্তৃপক্ষ অনানুষ্ঠানিকভাবে ইঙ্গিত দিয়েছে যে, ১০ ফেব্রুয়ারির ওই প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি তারা।
রয়টার্স এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা বিষয়টি পর্যালোচনা করছে এবং থমসন রয়টার্স ট্রাস্ট নীতিমালা অনুযায়ী স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য সংবাদ পরিবেশন অব্যাহত রাখবে। এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে ইএমএ’র সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
আরও পড়ুন: আফ্রিকার বেশিরভাগ দেশের জন্য শুল্ক বাতিল করছে চীন
এদিকে সুদানে প্রায় তিন বছর ধরে চলা গৃহযুদ্ধের কেন্দ্রবিন্দু কর্ডফান ও দারফুরের মতো অঞ্চলগুলোতে মানবিক পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। সশস্ত্র গোষ্ঠী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্স ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে লড়াইতে ড্রোন হামলা ও বেসামরিক মানুষের ওপর বর্বর আচরণ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে প্রতিদিন সাধারণ মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে ও আহত হচ্ছে।
একই সময় জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আরএসএফ-এর হাতে এল-ফাশার দখলের সময় প্রচুর মানুষকে হত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, যা বিশ্ব সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র নিন্দার কারণ হয়েছে। সংঘাতে অসুস্থ ও ক্ষুধার্ত শিশুদের অবস্থার মতো মানবিক সংকট ক্রমেই গুরুতর হচ্ছে; পরিবারগুলো খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তার জন্য সহায়তার আবেদন করছে।
]]>
১ মাস আগে
৫







Bengali (BD) ·
English (US) ·