সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ওই অবতরণ কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক জহির সিকদার। তিনি বলেন, এ মৎস্য মার্কেটটি ইজারা দেওয়া হয় পদ্মাবতী ঘাট নামে। প্রতিবছর ঘাটটির ইজারা দেয় বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ।
তিনি বলেন, ২০২৪ সালে ঘাটটি ইজারার সর্ব নিম্ন দর ছিল ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা। এ সময় সর্বোচ্চ দরদাতা ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকায় ঘাটটি পায় একটি প্রতিষ্ঠান। তখন বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ মৎস্য ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ইজারা বাবদ মণ প্রতি ইলিশ ১০০ টাকা নির্ধারণ করে দেয়। অথচ দরপত্রের সাথে দেওয়া রেট সিটে উল্লেখ থাকে টন প্রতি ৩৪ টাকা ৫০ পয়সা। তাতে মণ প্রতি হয় প্রায় দেড় টাকা। সেখানে মণ প্রতি আদায় করা হচ্ছে ১০০ টাকা। যা সম্পূর্ণ অবৈধ।
জহির সিকদার আরও বলেন, ২০২৫ সালে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ হঠাৎ করে ঘাটটি ইজারার সর্ব নিম্ন দর দেয় দুই কোটি ৭৫ লাখ টাকা। সোমবার (২৮ এপ্রিল) বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ ঘাটটি ইজারায় বেঁধে দেয়া নির্ধারিত ওই টাকা সর্বনিম্ন দর রাখায় ফুঁসে উঠেছে মৎস্য ব্যবসায়ীরা। কারণ বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ মৎস্য ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনা না করে এমন কাজটি করেছে। যা ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে প্রায় দ্বিগুণ।
আরও পড়ুন: পছন্দের ব্যক্তিকে টেন্ডার ছাড়াই খেয়াঘাট ইজারা দিলেন ইউপি চেয়ারম্যান
বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ এমন কাজ করলে এই ঘাটে টোল বেশি হওয়ায় ব্যবসায়ীরা মাছ নিয়ে কম আসতে শুরু করবে। ফলে মাছের সংকট হওয়ার পাশাপাশি মাছের দাম অনেক বেড়ে যাবে। যার প্রভাব পরবে খুচরা বাজারের ওপর। তাই বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষের এমন সিন্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দরা ২০২৫ সালের মনগড়া নতুন নিয়ম বন্ধের দাবি জানিয়ে সরকারি নির্ধারিত রেট সিট অনুযায়ী ইজারা দেওয়ার দাবি করেন।
এ ব্যাপারে বরিশাল নদী বন্দর কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ সেলিম রেজা বলেন, দরপত্রের মূল্য নির্ধারণ করে প্রধান কার্যালয়। যাতে বরিশালের কারো হাত নেই। আর ইজারাদারের প্রতিযোগিতার কারণে মূল্য বাড়ে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।