ইউরোপ-আমেরিকায় যাচ্ছে উপকূলের টাইগার চিংড়ি, দেশের অর্থনীতিতে সম্ভাবনার হাতছানি

১ সপ্তাহে আগে
সামুদ্রিক টাইগার চিংড়ি শিকারে দেশের অর্থনীতিতে সম্ভাবনার হাতছানি। উপকূল থেকে প্রতি বছর কয়েক হাজার কোটি টাকার টাইগার চিংড়ি রফতানি হচ্ছে ইউরোপ ও আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। ফলে এ চিংড়ি শিকার, বাছাই ও প্রক্রিয়াজাতের কাজ করে কর্মসংস্থান হয়েছে উপকূলের লক্ষাধিক নারী ও পুরুষের।

সামুদ্রিক টাইগার চিংড়ি। নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত প্রধান মৌসুম হওয়ায় এ চিংড়ি আহরণে ধুম পড়ে পটুয়াখালীসহ আশপাশের উপকূলীয় এলাকায়। বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী দুর্গম দ্বীপ চরমোন্তাজ গিয়ে দেখা যায়, টাইগার চিংড়ি শিকার করে ঘাটে নিয়ে আসছেন জেলেরা। এরপর সেখানেই চলছে মহাকর্মযজ্ঞ।

 

কেউ ফিশিংবোট থেকে মাছ নামাচ্ছেন। কেউ অন্যান্য মাছের মধ্য থেকে টাইগার চিংড়ি বাছাই করছেন। কেউবা মাথা কেটে আলাদা করে রফতানির উপযোগী করছেন। এতে কর্মসংস্থান হয়েছে উপকূলীয় অর্ধলাখ মানুষের।

 

টাইগার চিংড়ি বাছাই ও প্রক্রিয়াজাতের কাজ করছেন শ্রমিকরা। ছবি: সময় সংবাদ

 

স্থানীয় ও শ্রমিকরা বলছেন, টাইগার চিংড়ির সুবাদে কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে। এখান থেকে যে আয় আসে তা দিয়ে সংসারের দৈনন্দিন খরচ মেটানো যায়। টাইগার চিংড়ি কেটে দৈনিক ৩০০-৪০০ টাকা পর্যন্ত পাওয়া যায়।

 

আরও পড়ুন: গতি ফিরেছে চিংড়ি রফতানি খাতে 

 

ব্যবসায়ীরা জানান, দেশের বাজারে এ চিংড়ির তেমন চাহিদা না থাকলেও ইউরোপ-আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে এর বেশ কদর। ফলে জেলা থেকে প্রতি বছর কয়েক কোটি টাকার টাইগার চিংড়ি বিদেশে রফতানি করা হয়।

 

বিদেশে রফতানিযোগ্য চিংড়ি শিল্পের প্রসারে জেলেদের বিভিন্নভাবে পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করা হচ্ছে জানান মৎস্য কর্মকর্তা। পটুয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম বলেন, চিংড়ির মাথা দিয়ে অন্যান্য মাছ ও পশুর খাবার তৈরি করা হয়। এ বিষয়ে জেলেদের নানা ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে।

 

উল্লেখ্য, পটুয়াখালী, বরগুনা ও ভোলার জেলেরা সমুদ্র থেকে টাইগার চিংড়ি সংগ্রহ করেন। এরপর সমুদ্র লাগোয়া বিভিন্ন পয়েন্টে বিদেশে রফতানির জন্য প্রক্রিয়াজাত করা হয়। এখান থেকে পাইকাররা কিনে নিয়ে যান খুলনায়। সেখান থেকে রফতানিকারক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিদেশে পাঠানো হয়।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন