ইউক্রেনের লুহানস্ক অঞ্চল সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নিলো রাশিয়া!

১ সপ্তাহে আগে
পূর্ব ইউক্রেনের লুহানস্ক অঞ্চলটি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নেয়ার দাবি করেছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। এর মাধ্যমে ২০২২ সালে শুরু হওয়া আক্রমণের পর থেকে যে অঞ্চলটি পুরোপুরি দখলের বাইরে ছিল, সেটিও এখন তাদের নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

ইউক্রেনের ওই অঞ্চলটির জন্য মস্কোর ব্যবহৃত নাম উল্লেখ করে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বুধবার (১ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে জানায়, ‘ওয়েস্ট সামরিক গ্রুপের ইউনিটগুলো লুহানস্ক পিপলস রিপাবলিককে সম্পূর্ণ মুক্ত করেছে।’

 

তবে রাশিয়ার এই দাবির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করে কিছু জানায়নি ইউক্রেন।

 

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানায়, তাদের বাহিনী উত্তর-পূর্ব ইউক্রেনের খারকিভ অঞ্চলের ভেরখনিয়া পিসারিভকা গ্রাম এবং দক্ষিণ-পূর্ব ইউক্রেনের জাপোরিঝিয়া অঞ্চলের বইকোভ গ্রামেরও নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

 

লুহানস্ক ও দোনেৎস্ক মিলে বৃহত্তর দনবাস অঞ্চল গঠিত। লুহানস্কের ৯৯ শতাংশেরও বেশি এলাকা দীর্ঘদিন ধরেই রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে আছে এবং ২০২২ সালে মস্কো যে চারটি ইউক্রেনীয় অঞ্চলকে সংযুক্ত করে, তার মধ্যে এটি একটি। এছাড়া দোনেৎস্কের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ এলাকা রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে। 

 

আরও পড়ুন: রাশিয়ায় সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ২৯ জন নিহত

 

বুধবার ক্রেমলিন আবারও দাবি জানায়, ইউক্রেনীয় বাহিনীকে পুরো দোনেৎস্ক অঞ্চল থেকে সরে যেতে হবে। যদিও কিয়েভ বারবার তা প্রত্যাখ্যান করেছে।

 

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, রাশিয়ার ভাষায় যুদ্ধের ‘উত্তপ্ত পর্যায়’-এর অবসান ঘটাতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির ‘গতকালই’ দনবাস এলাকা থেকে তার বাহিনী প্রত্যাহার করার কঠিন সিদ্ধান্তটি নেয়া উচিত ছিল।

 

এমন সময়ে পেসকভ এই মন্তব্য করেন, যার একদিন আগে জেলেনস্কি দাবি করেছিলেন, রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রকে একটি আল্টিমেটাম দিয়েছে যে দুই মাসের মধ্যে ইউক্রেনীয় বাহিনী দনবাস থেকে সরে না গেলে শান্তি চুক্তির শর্ত আরও কঠোর করা হবে।

 

জেলেনস্কি আরও বলেন, এত স্বল্প সময়ের মধ্যে দনবাসের বাকি অংশ দখল করার আশা রাশিয়ার পক্ষে করা বাস্তবসম্মত নয়। তিনি জানান, ইউক্রেন কূটনৈতিক সমাধান চায়, তবে বর্তমান ফ্রন্টলাইনের ভিত্তিতেই কেবল যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হবে।

 

সূত্র: আল জাজিরা

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন